Advocate Shahariar Sajib

Call Contact the business

Advocate Shahariar Sajib Advocate, Cumilla District Bar Association. I offer the best legal advice, trusted legal services & legal education.

Known as a reliable Advocate, providing expert legal help to clients with integrity and dedication.

14/09/2026

📢 জমির নামজারিতে বড় পরিবর্তন এসেছে — জানেন কি?

বাবার জমি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন? একা নিজের নামে নামজারি করাতে চাইছেন? নতুন নিয়মে এটা আর সহজ নয়!

✅ এখন সব ওয়ারিশের নাম একসঙ্গে দিয়ে আবেদন করতে হবে
✅ নামজারি নিষ্পত্তি করতে হবে সর্বোচ্চ ২৮ কার্যদিবসের মধ্যে
✅ কাগজপত্র অসম্পূর্ণ থাকলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি বেশি

মাত্র দেড় মিনিটে জেনে নিন কী কী পরিবর্তন এসেছে এবং এখন নামজারি করাতে গেলে কী কী মাথায় রাখবেন। 👇

ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন — আরও দরকারি তথ্য পেতে পেজটি ফলো করে রাখুন।

#জমিরনামজারি #ভূমিআইন #নামজারি #ওয়ারিশ #বাংলাদেশ

05/09/2026

⚖️ **ডিভোর্স বা তালাক কীভাবে দিবেন?**

মুখে শুধু “তালাক” বললেই কি বাংলাদেশে সঙ্গে সঙ্গে তালাক কার্যকর হয়ে যায়?
❌ **না।**

বাংলাদেশে মুসলিম বিবাহের ক্ষেত্রে তালাক প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

এই ভিডিওতে জানুন—

📌 তালাক দেওয়ার সঠিক নিয়ম কী?
📌 তালাকের লিখিত নোটিশ কাকে দিতে হয়?
📌 স্ত্রীকে নোটিশের কপি দেওয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ?
📌 Arbitration Council কী এবং এর ভূমিকা কী?
📌 ৯০ দিনের প্রক্রিয়া কীভাবে কাজ করে?
📌 তালাকের আগে দেনমোহর ও ভরণপোষণের বিষয়গুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ?

👉 **তালাক একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত সিদ্ধান্ত। তাই আবেগের বশে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে প্রযোজ্য আইন ও সঠিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানুন।**

⚠️ **Disclaimer:** এই ভিডিওটি সাধারণ আইনগত সচেতনতার উদ্দেশ্যে তৈরি। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আইনগত পরামর্শের জন্য একজন যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

⚖️ **অ্যাডভোকেট শিহাব শাহারিয়ার সজীব**

#তালাক #ডিভোর্স #আইনজানুন #আইনগতপরামর্শ

04/09/2026

একই সম্পত্তি একাধিক ব্যক্তির কাছে একাধিকবার বিক্রি হলে কার অধিকার আগে? প্রথম ক্রেতা নাকি পরবর্তী ক্রেতা? এমন পরিস্থিতিতে ক্রেতার করণীয় কী?

এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে, একই স্থাবর সম্পত্তি একাধিকবার বিক্রির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে ক্রেতাদের অধিকার ও করণীয় কী হতে পারে।

📌 আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
• একই সম্পত্তি একাধিকবার বিক্রি হলে কার অধিকার অগ্রাধিকার পাবে
• Transfer of Property Act, 1882-এর Section 48-এর প্রাসঙ্গিকতা
• পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ক্রেতার অধিকার
• Registered Sale Deed থাকলেই কি পরবর্তী ক্রেতা মালিক হয়ে যায়?
• পরবর্তী ক্রেতার কী কী বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন
• পূর্ববর্তী ক্রেতার কী ধরনের আইনি প্রতিকার থাকতে পারে
• Declaration, Cancellation ও Permanent Injunction-এর বিষয়
• বিক্রেতার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি প্রতিকার
• বায়নাপত্র ও পরবর্তী বিক্রয় হলে বিষয়টি কীভাবে ভিন্ন হতে পারে

⚖️ জমি কেনার আগে দলিল, খতিয়ান, নামজারি, দখল ও পূর্ববর্তী মালিকানার ইতিহাস যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই ভিডিওটি সাধারণ আইনগত সচেতনতার উদ্দেশ্যে তৈরি। নির্দিষ্ট মামলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র দেখে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

#জমিজমা #জমিরআইন #বাংলাদেশআইন #দলিল #জমিরদলিল

01/09/2026

📜 **“এইটা দলিল, আর এইটা খতিয়ান!”**
কিন্তু দুটির মধ্যে পার্থক্যটা আসলে কোথায়? 🤔

জমি কেনাবেচা বা জমির মালিকানা নিয়ে কথা উঠলেই আমরা প্রায়ই **দলিল** আর **খতিয়ান**কে একই জিনিস মনে করি। এখানেই অনেক সময় ভুলের শুরু। 😐

# # # 📜 দলিল কী?

দলিল হলো এমন একটি **আইনি নথি**, যার মাধ্যমে জমি সংক্রান্ত কোনো লেনদেন বা অধিকার হস্তান্তরের বিষয়টি প্রমাণিত হয়।

যেমন:
🔹 সাফ কবলা দলিল
🔹 দানপত্র
🔹 হেবা দলিল
🔹 বণ্টননামা
🔹 এওয়াজ দলিল ইত্যাদি।

অর্থাৎ, **কে কার কাছ থেকে কীভাবে জমি পেয়েছেন**, তার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে দলিল।

# # # 📋 খতিয়ান কী?

খতিয়ান হলো **ভূমি জরিপের রেকর্ড**, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জরিপ অনুযায়ী কোনো দাগ, জমির পরিমাণ, শ্রেণি এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডভুক্ত মালিক/অধিকারীর তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে।

যেমন:
🔹 CS খতিয়ান
🔹 SA খতিয়ান
🔹 RS খতিয়ান
🔹 BS/City Survey খতিয়ান।

# # # ⚠️ তাহলে মূল পার্থক্য কী?

👉 **দলিল** সাধারণত জমির অধিকার অর্জন বা হস্তান্তরের লেনদেনের নথি।
👉 **খতিয়ান** হলো জরিপের সময় প্রস্তুত করা ভূমি রেকর্ড।

তাই শুধু **“আমার নামে দলিল আছে”** বললেই সবসময় বিষয়টি শেষ হয়ে যায় না। আবার শুধু **“খতিয়ানে আমার নাম আছে”** বলেও মালিকানার পুরো ইতিহাস বোঝা যায় না।

জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সাধারণত **দলিল, খতিয়ান, নামজারি, দখল এবং পূর্ববর্তী মালিকানার চেইন** মিলিয়ে বিষয়টি যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

🏠 **জমি কেনার আগে শুধু দলিল দেখবেন না, খতিয়ানও দেখবেন।**
কারণ জমির ক্ষেত্রে একটি কাগজ দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সময় বেশ ব্যয়বহুল ভুল হয়ে যেতে পারে।

⚖️ **জমি কেনার আগে কাগজপত্র যাচাই করুন, পরে মামলা করার প্রয়োজন যেন না হয়।**

— **অ্যাডভোকেট শিহাব শাহরিয়ার সজীব**
Cumilla District Bar Association

29/08/2026

দলিল আছে, কিন্তু দখল নাই। রেকর্ডেও নাম ওঠেনি। 😟

এই সমস্যায় থাকলে ভাবছেন জমি বুঝি হারিয়েই গেল — কিন্তু না, সঠিক আইনি পথে গেলে জমি ফিরে পাওয়া সম্ভব।

✅ প্রথমে স্বত্ব প্রমাণ করুন (LST অথবা দেওয়ানি আদালত)
✅ এরপর ভূমি প্রতিকার আইন ২০২৩ অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন করুন

⚠️ দেরি করবেন না, তামাদির ঝুঁকি আছে!

বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন এবং প্রয়োজনে একজন অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

👉 পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে আরও অনেকে উপকৃত হতে পারেন।

#ভূমিআইন #জমিরদলিল #দখলপুনরুদ্ধার #আইনিপরামর্শ

04/08/2026

# # 🎬 "এক স্ত্রী... চারবার কাবিন... শেষ কাবিন ৩৫ লাখ টাকা!"

❗ *থামুন। স্ক্রল করার আগে একবার ভাবুন।*

আপনি কি জানেন—

সংসার বাঁচাতে গিয়ে আপনি হয়তো নিজের ভবিষ্যৎটাই বন্ধক রেখে দিচ্ছেন?

এটা কোনো নাটক না।

এটা কুমিল্লা জজ কোর্টে আমার হাতে থাকা বাস্তব একটি মামলা।

---

# # # ঘটনাটা শুনুন—

একজন যুবক ভালোবেসে বিয়ে করলেন।

✅ প্রথম কাবিন — ৫ লাখ টাকা।

সংসারে মনোমালিন্য…

স্ত্রী চলে গেলেন বাবার বাড়ি।

পরিবার বললো—

“আরেকবার সংসার করো, মেয়ে তো তোমারই…”

স্বামী রাজি হলেন।

🔴 শর্ত?

নতুন কাবিন।

✅ দ্বিতীয় কাবিন — ১২ লাখ টাকা।

কিছুদিন পর…

আবার ঝগড়া।

আবার আলাদা থাকা।

আবার আপস।

আবার নতুন কাবিন।

এভাবেই…

✅ তৃতীয় কাবিন…

✅ চতুর্থ কাবিন…

শেষ কাবিনে দেনমোহর দাঁড়াল — *৩৫ লাখ টাকা।*

---

এখন প্রশ্ন হলো—

একই স্ত্রীর সাথে বারবার নতুন কাবিন করলে…

📌 আগের কাবিন বাতিল হয়?

📌 নাকি সব কাবিনের দেনমোহর যোগ হয়ে যাবে?

📌 স্বামী কি পুরো ৩৫ লাখ টাকা দিতে বাধ্য?

📌 নাকি আইনের চোখে বিষয়টা ভিন্নভাবে দেখা হয়?

---



সব ৩৫ লাখ কি আদায়যোগ্য?

নাকি কোর্ট ভিন্ন সিদ্ধান্ত দিতে পারে?

এটা নির্ভর করে—

✔️ তালাক কার্যকর হয়েছিল কিনা

✔️ ইদ্দত শেষ হয়েছিল কিনা

✔️ পুনর্বিবাহ আইনসম্মতভাবে হয়েছে কিনা

✔️ কাবিননামার শর্ত কী ছিল

---

👉 আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি এমন পরিস্থিতিতে থাকেন,

আবেগ দিয়ে নয়—

আইন বুঝে সিদ্ধান্ত নিন।

📩 ইনবক্সে লিখুন: “কাবিন পরামর্শ”

অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন।

কারণ,

একটা সই আপনার ৩৫ লাখ টাকার দায় তৈরি করতে পারে।

---

📌 পরের ভিডিওতে বলবো—

“একাধিক কাবিনের ক্ষেত্রে আদালত কীভাবে দেনমোহর নির্ধারণ করে?”

এই পোস্টটি শেয়ার করুন।

হয়তো কারও জীবন বাঁচবে।

— অ্যাডভোকেট Sajib

কুমিল্লা জজ কোর্

খতিয়ান পরিচিতি: খতিয়ান থাকলেই কি আপনি জমির মালিক?বাংলাদেশে জমি নিয়ে যত বিরোধ, তার বড় একটি কারণ হলো খতিয়ান সম্পর্কে ...
23/07/2026

খতিয়ান পরিচিতি: খতিয়ান থাকলেই কি আপনি জমির মালিক?

বাংলাদেশে জমি নিয়ে যত বিরোধ, তার বড় একটি কারণ হলো খতিয়ান সম্পর্কে ভুল ধারণা। অনেকেই মনে করেন, "আমার নামে খতিয়ান আছে, তাই জমিটা শতভাগ আমার।" আবার কেউ মনে করেন, "দলিল থাকলেই আর কিছু লাগবে না।"

আসলে এই দুই ধারণাই অনেক ক্ষেত্রে ভুল।

আজ সহজ ভাষায় বুঝে নেওয়া যাক—খতিয়ান আসলে কী, কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, এবং কোথায় মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুল করে।

খতিয়ান কী?

খতিয়ান হলো সরকারের ভূমি রেকর্ড। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট একটি মৌজায় কোন জমি কার নামে রেকর্ড হয়েছে, জমির পরিমাণ কত, দাগ নম্বর কত—এসব তথ্য একটি খতিয়ানে লিপিবদ্ধ থাকে।

এটি মূলত সরকারের তৈরি একটি রেকর্ড অব রাইটস (Record of Rights)।

কিন্তু এখানে একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

খতিয়ান মানেই মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ, কিন্তু একমাত্র প্রমাণ নয়।

বাস্তবে মানুষ কোথায় ভুল করে?

ধরুন, একজন ব্যক্তি ফেসবুকে একটি জমির বিজ্ঞাপন দিলেন।

তিনি বললেন,
"সব কাগজ ঠিক আছে। খতিয়ান আমার নামে।"

আপনি খতিয়ান দেখলেন, নামও মিলল।

আপনি নিশ্চিন্ত হয়ে টাকা দিয়ে জমি কিনে ফেললেন।

কিন্তু কয়েক মাস পরে জানতে পারলেন—

দলিলে সমস্যা আছে।
উত্তরাধিকারীদের সবাই সম্মতি দেয়নি।
জমিটি আদালতে মামলা চলমান।
জমির দখল অন্য একজনের কাছে।
একই জমির ওপর একাধিক দাবি রয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো—

খতিয়ান তো ছিল! তাহলে সমস্যা কোথায় হলো?

সমস্যা হলো, আপনি শুধু একটি কাগজ দেখেছেন, কিন্তু পুরো আইনি অবস্থাটি যাচাই করেননি।

খতিয়ান কেন গুরুত্বপূর্ণ?

খতিয়ান আপনাকে জানায়—

জমির রেকর্ড কার নামে রয়েছে।
দাগ নম্বর কী।
খতিয়ান নম্বর কত।
জমির শ্রেণি কী।
জমির পরিমাণ কত।

অর্থাৎ, জমির পরিচয় জানতে খতিয়ান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু জমির প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করতে আরও কিছু বিষয় একসাথে দেখতে হয়।

শুধু খতিয়ান দেখলেই হবে না

জমি কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করুন—

✅ দলিল সঠিক কি না

✅ বিক্রেতা প্রকৃত মালিক কি না

✅ উত্তরাধিকারীদের সম্মতি আছে কি না

✅ নামজারি (Mutation) সম্পন্ন হয়েছে কি না

✅ সর্বশেষ খতিয়ান কোনটি

✅ জমির দখল বাস্তবে কার কাছে

✅ জমির বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা নিষেধাজ্ঞা আছে কি না

কারণ, কাগজে নাম থাকা আর বাস্তবে আইনি ঝুঁকিমুক্ত হওয়া—দুইটি এক বিষয় নয়।

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ান

অনেকেই CS, SA, RS, BS দেখে বিভ্রান্ত হয়ে যান।

সংক্ষেপে—

CS (Cadastral Survey):
সবচেয়ে পুরোনো জরিপ।

SA (State Acquisition):
জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর প্রস্তুত করা রেকর্ড।

RS (Revisional Survey):
পূর্বের রেকর্ডের ভুল সংশোধনের জন্য তৈরি।

BS/BRS (Bangladesh Survey):
তুলনামূলক নতুন জরিপ ও হালনাগাদ রেকর্ড।

মনে রাখবেন, সব সময় সর্বশেষ রেকর্ড এবং বাস্তব আইনি অবস্থা যাচাই করা জরুরি।

সবচেয়ে বড় ভুল

অনেক মানুষ একটি খতিয়ান হাতে পেয়েই বলেন—

"এখন আর কোনো সমস্যা নেই।"

বাস্তবে এখান থেকেই অনেক সমস্যার শুরু হয়।

কারণ জমি সংক্রান্ত বিরোধের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়—

দলিল এক রকম,
খতিয়ান অন্য রকম,
দখল আরেকজনের,
আর আদালতে মামলা চলছে বহু বছর ধরে।
শেষ কথা

জমি জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগগুলোর একটি।

একটি ভুল সিদ্ধান্ত, একটি কাগজ ঠিকমতো যাচাই না করা, অথবা আইনি বিষয় না বুঝেই জমি কেনা—আপনাকে বছরের পর বছর আদালতে ঘুরাতে পারে।

তাই শুধু "খতিয়ান আছে" শুনে নিশ্চিন্ত হবেন না।

খতিয়ান দেখুন, দলিল মিলিয়ে দেখুন, নামজারি যাচাই করুন, দখল নিশ্চিত করুন এবং প্রয়োজনে একজন অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন—
খতিয়ান জমির পরিচয় দেয়, কিন্তু নিরাপদ মালিকানা নিশ্চিত করতে পুরো আইনি নথিপত্র এবং বাস্তব অবস্থা একসাথে যাচাই করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

💬 আপনার কাছে কোন ধরনের খতিয়ান আছে—CS, SA, RS নাকি BS? কমেন্টে লিখুন। পরবর্তী পোস্টে প্রতিটি খতিয়ান আলাদাভাবে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হবে।

22/07/2026

আপনার জমি সত্যিই আপনার? নাকি শুধু কাগজে?

দেওয়ানি মামলায় শুধু "আমার জমি" বললেই হয় না। জিততে হলে লাগবে সঠিক কাগজপত্র, সঠিক মামলা এবং সঠিক সময়ে আইনি পদক্ষেপ।

অনেকেই এই ৩টি ভুলের কারণে শক্ত মামলাও হারিয়ে ফেলেন:
✅ শুধু দলিলের উপর নির্ভর করা
✅ ভুল ধরনের মামলা করা
✅ সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়া

আপনার জমি, উত্তরাধিকার, বণ্টন বা দখল সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থাকলে, মামলা করার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

14/07/2026

💔 "তুমি তো মেয়ে, সম্পত্তিতে তোমার কোনো ভাগ নেই!"

এই একটি বাক্যই আজও অসংখ্য মেয়ের জীবনের সবচেয়ে বড় অন্যায়ের সূচনা।

আমি আদালতে কাজ করতে গিয়ে বারবার দেখেছি, অনেক নারী বছরের পর বছর ধরে বিশ্বাস করে এসেছেন যে বাবার সম্পত্তিতে তাদের কোনো অধিকার নেই। কেউ বলেছেন, "বিয়ে হয়ে গেছে, এখন আর তোমার কিছু পাওয়ার নেই।" কেউ বলেছেন, "পরে দিয়ে দেব।" আবার অনেকের নামই ওয়ারিশের কাগজে রাখা হয়নি।

কিন্তু বাস্তবতা কী? অনেক ক্ষেত্রে এই ধারণাগুলো আইন ও ইসলামী উত্তরাধিকার বিধানের সঙ্গে মিলেই না।

📌 মনে রাখুন:

• ✅ আপনি যদি একমাত্র মেয়ে হন এবং কোনো ছেলে সন্তান না থাকে, তাহলে ইসলামী উত্তরাধিকার আইনে সাধারণভাবে অর্ধেক (১/২) অংশের অধিকার নির্ধারিত রয়েছে।

• ✅ যদি দুই বা ততোধিক মেয়ে থাকে এবং কোনো ছেলে সন্তান না থাকে, তাহলে তারা সম্মিলিতভাবে দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) অংশের অধিকারী হন।

• ❌ "তুমি মেয়ে, তাই কিছুই পাবে না" এই কথার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

• 📄 ওয়ারিশ সনদ, খতিয়ান, দলিল ও অন্যান্য নথি যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• ⚖️ প্রতিটি মামলার পারিবারিক অবস্থা ভিন্ন হতে পারে। তাই সঠিক আইনি পরামর্শ নিয়ে তারপর সিদ্ধান্ত নিন।

আমার বিশ্বাস, আইন জানলে মানুষ শুধু মামলা করে না, অনেক অন্যায় শুরু হওয়ার আগেই থামিয়ে দিতে পারে।

আপনার পরিবারে বা পরিচিত কারও সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে? নীরব থাকবেন না। সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন। 🤝

🔄 এই পোস্টটি শেয়ার করুন, হয়তো আপনার একটি শেয়ারই কোনো বঞ্চিত মেয়েকে তার ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে সাহস দেবে।

👨‍⚖️ Advocate Shehab Shahariar Sajib
📞 01752566620

⚠️ বিঃদ্রঃ এই পোস্টটি সাধারণ আইনি তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে। প্রতিটি উত্তরাধিকার মামলা তার নিজস্ব তথ্য ও পারিবারিক অবস্থার ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে। নির্দিষ্ট বিষয়ে আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করুন।

📢 দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা: ন্যায়বিচার নাকি বৈষম্য?দেড়শ বছরের পুরনো ব্রিটিশ আইন আজও আমাদের বিচারব্যবস্থায় বহাল! দণ্ডবিধির ৪...
07/07/2026

📢 দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা: ন্যায়বিচার নাকি বৈষম্য?
দেড়শ বছরের পুরনো ব্রিটিশ আইন আজও আমাদের বিচারব্যবস্থায় বহাল! দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী —
❌ ব্যভিচারে জড়িত নারীর কোনো ফৌজদারি দায় নেই, শাস্তি নেই।
❌ শুধু পুরুষটিকেই (নারীর সম্পর্কের সঙ্গী) শাস্তি দেওয়া হয়।
❌ স্বামী অবিশ্বস্ত হলে স্ত্রীর কোনো আইনি প্রতিকার নেই — অথচ স্ত্রী অবিশ্বস্ত হলে স্বামী তৃতীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।
❌ স্বামীর অনুমতি থাকলে "ব্যভিচার" বৈধ হয়ে যায় — যেন নারী স্বামীর সম্পত্তি!
এই আইন নারী-পুরুষ কাউকেই প্রকৃত ন্যায়বিচার দেয় না — বরং একটা ঔপনিবেশিক, পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকে টিকিয়ে রাখে, যেখানে নারীকে "সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাহীন" ভাবা হয়েছে।
⚖️ ন্যায়বিচার মানে হলো — অপরাধ যদি হয়, দায় দুইজনেরই সমান হওয়া উচিত। একপাক্ষিক আইন কখনোই সমতা আনতে পারে না।
আমরা চাই— সংশোধন হোক দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা। সময় এসেছে ঔপনিবেশিক এই বৈষম্যমূলক আইন থেকে মুক্তির।
#৪৯৭ধারা_সংশোধন_চাই #সমান_আইন #নারী_পুরুষ_সমতা

Address

Comilla Judge Court
Cumilla

Telephone

+8801752566620

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Shahariar Sajib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Shahariar Sajib:

Shortcuts

Share

Category