Imran's Law Firm

Imran's  Law Firm We are here to provide legal guidance to the deprived people. Making wise decisions and working di

In recent times, we have seen an alarming phenomenon in our country: criminal defence lawyers in sensational cases are o...
04/03/2026

In recent times, we have seen an alarming phenomenon in our country: criminal defence lawyers in sensational cases are often painted as villains by many. Fearing the repercussions, some lawyers also refuse to accept certain cases, resulting in accused individuals receiving below-standard representation, even in death penalty cases. This populist sentiment unknowingly hinders our struggle to realise a society with rule of law as envisioned in the preamble to our Constitution.

Follow Law & Our Rights, The Daily Star

“জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫” এবং “জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫”: সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি বিশ্লেষণ
04/03/2026

“জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫” এবং “জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫”: সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি বিশ্লেষণ

👉তালাকের পর সন্তান কার কাছে থাকবে ?👈সম্প্রতি বেড়েছে বিচ্ছেদের ঘটনা। স্বামী-স্ত্রী দাম্পত্য জীবন যখন এক ছাদের নিচে একবার...
14/09/2022

👉তালাকের পর সন্তান কার কাছে থাকবে ?👈
সম্প্রতি বেড়েছে বিচ্ছেদের ঘটনা। স্বামী-স্ত্রী দাম্পত্য জীবন যখন এক ছাদের নিচে একবারেই অসম্ভব হয়ে উঠে তখন আসে বিচ্ছেদের কথা। নারী-পুরুষের জীবনকে সুখকর করতে যেমন বিবাহের ব্যবস্থা রয়েছে তেমনই অসুখী দাম্পত্য জীবন থেকে রেহাই দিতে রয়েছে বিচ্ছেদ।

তবে বিচ্ছেদের পরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সন্তান।কারণ তখন সন্তান কার কাছে থাকবে এই নিয়ে বাবা-মায়ের মধ্যে শুরু হয় দণ্ড। এই দণ্ড একসময় ভয়াবহ অবস্থায় পরিণত হয়।

বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর সন্তানরা থাকবে কার কাছে, কে বহন করবে তাদের ভরণপোষণ, তা অনেকেই জানেন না।এ বিষয়ে আইন স্পষ্ট করে দিয়েছে।

আসুন জেনে নেই তালাকের পর সন্তান কার কাছে থাকবে এ নিয়ে আইনের বিধানগুলো জেনে নেই।

মুসলিম আইন অনুযায়ী, বাবাই অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আইনগত অভিভাবক আর মা হচ্ছেন সন্তানের তত্ত্বাবধায়ক। সন্তানের মা যদি বাবার কাছ থেকে আলাদা থাকেন কিংবা তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তাহলে মা তার সন্তানের তত্ত্বাবধান করার ক্ষমতা হারাবেন না। ছেলের ক্ষেত্রে সাত বছর বয়স পর্যন্ত এবং মেয়েসন্তানের বয়ঃসন্ধি বয়স পর্যন্ত মা সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে পারবেন।

সন্তান কার কাছে থাকবেন
-------------------------------------

সন্তানের মা যদি বাবার কাছ থেকে আলাদা থাকেন কিংবা তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তাহলে মা তার সন্তানের তত্ত্বাবধান করার ক্ষমতা হারাবেন না। ছেলের ক্ষেত্রে সাত বছর বয়স পর্যন্ত এবং মেয়েসন্তানের বয়ঃসন্ধি বয়স পর্যন্ত মা সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে পারবেন।

আদালত
-------------

সন্তানের ভালোর জন্য মা চাইলে বয়সসীমার পরও সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে পারবেন। তবে এ জন্য ক্ষেত্রবিশেষে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হতে পারে।

মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে
--------------------------

মা যদি দ্বিতীয় বিয়ে করেন, তাহলে সন্তানকে নিজের হেফাজতে রাখার ক্ষমতা হারাতে হতে পারে।

আদালতের আশ্রয়
--------------------------

বিচ্ছেদের পর সন্তান কার কাছে থাকবে, এ নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে পারিবারিক আদালতে আশ্রয় নেয়া যাবে। পারিবারিক আদালত তখন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে, সন্তানেরা কার কাছে থাকবে। তবে আইনের পাশাপাশি আদালতের ক্ষমতা রয়েছে সন্তানের কল্যাণের দিকটি বিবেচনা করা। আদালত সন্তানের সুস্থ, স্বাভাবিক বিকাশের দিকটি বিবেচনা করে বাবা বা মা যে কারও কাছে রাখার আদেশ দিতে পারেন। অনেক সময় সন্তানের যদি ভালোমন্দ বোঝার ক্ষমতা থাকে, তাহলে সন্তানের মতামতকেও আদালত গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

সন্তানের ভরণপোষণ
------------------------------
বিচ্ছেদের পর সন্তান যদি মায়ের কাছে থাকে, অনেক বাবা মনে করেন সন্তানের ভরণপোষণ দিতে হবে না। এটা ঠিক নয়। সন্তান বাবা কিংবা মা—যার কাছেই থাকুক না কেন, সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব সম্পূর্ণ বাবার।

ভরণপোষণের জন্য মামলা
-------------------------------------
মা-বাবার মধ্যে বিচ্ছেদ হলে কিংবা মা-বাবা আলাদা বসবাস করলে বাবাকেই সন্তানদের ভরণপোষণ দিয়ে যেতে হবে। ইচ্ছে করলে মা আলাদা থেকেও বিবাহবিচ্ছেদ হোক বা না হোক, সন্তানের ভরণপোষণ আদায় করার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারবেন।

14/09/2022
08/09/2022

দলিল কাকে বলে?

যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।

সাফকবলা দলিল কাকে বলে?

কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রী করে দেন তাকে সাফকবলা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদ কবলা বলে। এই কবলা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্ট্রী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্ট্রী করে দিবেন।

এই দলিল রেজিষ্ট্রী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত জমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা (পূর্বের মালিক) হতে বিলুপ্ত হবে এবং দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ যে কিনবে তার উপর অর্পিত হলো।

দানপত্র দলিল কাকে বলে?

যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।

হেবা দলিল কাকে বলে?

মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল। এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়, কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়েই এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা শর্তবিহীন অবস্থায় দান যা বিক্রয়, রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে।

স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।

হেবা বিল এওয়াজ কাকে বলে?
এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল। এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু এটা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে, যেমন- পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তছবিহ, মোহরানার টাকা, এমন কি যে কোন জিনিষের বিনিময়েও হতে পারে, যেমন আংটি ইত্যাদি।

এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে।

দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্ট্রী হতে হবে। বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।

এওয়াজ দলিল কাকে বলে?

যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন। অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন সারতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্ট্রী হতে হবে।

বন্টননামা দলিল কাকে বলে?

শরিকগণের মধ্যে সম্পত্তি ক্রমে নিজ নিজ ছাহাম প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ছাহামের বাবদ যে দলিল করতে হয় তাকে বন্টননামা দলিল বলে। একই সম্পত্তিতে মালিক একই বংশের লোককে সাধারণত শরিক বলা হয়।

শরিক দুই প্রকারের, যথা- উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক ও কোন শরিক হতে খরিদ সূত্রে শরিক। বন্টননামা দলিল করার সময় সকল শরিকগণ দলিলে পক্ষভুক্ত থেকে ও দস্তখত করে বন্টননামা দলিল করতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বন্টননামা শুদ্ধ হবেনা।

বন্টননামা দলিল রেজিষ্ট্রী করতে হবে, কিন্তু ঘরোয়াভাবে বন্টন করে সকল পক্ষগণ যদি বন্টননামা দলিলে দস্তখত করে থাকেন তা হলেও বন্টননামা কার্যকরী হতে পারে। যদি শরিকগণ আপোষ মতে বন্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বন্টনের জন্য আদালতে নালিশ করতে পারেন।

অছিয়তনামা দলিল কাকে বলে?

যদি কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি (জমি জমা) কাউকে বা তার উত্তরাধিকারীদের সকলকে না দিয়ে যদি একজনকে বা কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে অথবা অছিয়তকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে একজনকে প্রদান করে থাকেন এবং অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর যদি তাহার উত্তরাধিকারীগণ দাবী উত্থাপন করেন তাহলে যাকে সম্পত্তি অছিয়ত করা হলো সেই ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে এবং অবশিষ্ট দুই তৃতীয়াংশের মালিক উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সকলেই হবেন।

উইল দলিল কাকে বলে?

হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তাদের আত্মীয়দের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উইল করে দিতে পারেন। যিনি উইল করেন তিনি একের অধিক উইল করতে পারেন। কিন্তু সর্বশেষ যে উইল করলেন কেবল ঐটাই কার্যকরী হবে।

নাদাবী দলিল কাকে বলে?

কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কোন সম্পত্তিতে তার স্বত্ত্বাধিকার নাই মর্মে অথবা স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করছেন মর্মে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রী করে দিতে পারেন। এরূপ দলিলকে নাদাবী দলিল বলা হয়।

বয়নামা দলিল কাকে বলে?

প্রজাদের ভূমি রাজস্ব বাকী পড়লে উপরস্থ মালিকগণ আদালতে খাজনার নালিশ করে ডিক্রি করতেন। প্রজা উক্ত ডিক্রিকৃত টাকা জমিদারকে প্রদান না করলে উক্ত খাজনার ডিক্রিজারী দিয়ে উক্ত ভূমি নিলাম করাতেন। উক্ত নিলাম উপরস্থ মালিকসহ সর্ব সাধারণের খরিদ করার অধিকার ছিল।

যে ব্যক্তি অধিক টাকায় নিলামের ডাক উঠাতেন তিনি উক্ত নিলাম খরিদ্দার বলে গণ্য হতেন। খাজনার ডিক্রি ছাড়া আরও কয়েক প্রকারের নিলাম হয়ে থাকে। যেমন সরকার কর্তৃক বাকী ভূমি রাজস্বের নিমিত্ত মানী মোকদ্দমার দাবীর ও দেওয়ানী মোকদ্দমার খরচের টাকার নিমিত্ত ও রেহানী ঋণের দরুন।

যিনি নিলাম খরিদ করতেন তাকে একটি নিদর্শন পত্র বা সার্টিফিকেট দিতো, সেটাকেই বয়নামা দলিল বলা হয়।

দখলনামা দলিল কাকে বলে?

বন্টনের মোকদ্দমা, স্বত্ব সাব্যস্ত পূর্বক খাস দখল, উৎপাত ও প্রিয়েমশান ইত্যাদি মোকদ্দমায় ডিক্রির পর আদালত হতে বন্টনের মোকদ্দমায় কমিশনার ও অন্যান্য মোকদ্দমায় আদালতের পদাতিক বা নায়েব, নাজির যোগে ডিক্রির মর্মমতে দখলী পরওয়ানের ভিত্তিতে দখল গ্রহণ করতে হয় এবং দখল দেওয়ার পর কমিশনার ও আদালতের পদাতিক বা নায়েব নাজির রিপোর্টসহ উক্ত দখলী পরওয়ানা আদালতে দাখিল করেন। তাকে দখলনামা দলিল বলা হয়।

রায় দলিল কাকে বলে?

কোন সম্পত্তি টাকা পয়সা কিংবা অন্যান্য যে কোন কারণে আদালতে নালিশ হলে বাদীর আরজি, বিবাদীর জবাব দৃষ্টে সাক্ষী প্রমাণ গ্রহণ করে একতরফা বা দোতরফা শুনানীর পর হাকিম বিচার করে উক্ত বিচার লিখিতভাবে জানিয়ে দেন তাকে।

ডিক্রি দলিল কাকে বলে?

আদালতের রায়ের মর্ম মতে রায়ের আদেশাংশ সংযোজন করে বাদী ও বিবাদী পক্ষের নাম ঠিকানাসহ সম্পত্তি সংক্রান্ত হলে সম্পত্তির তফসিল পরিচয়সহ যে দলিল আদালত কর্তৃক জারী করা হয় তাকে ডিক্রি বলে।

আরজি দলিল কাকে বলে?

বাদী বিরোধীয় ভূমির জন্য বিবাদীগণের বিরুদ্ধে আদালতে যে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন তাকে আরজি বলা হয়। এই আরজিতে বাদী তার স্বত্ব সম্বন্ধে যাবতীয় বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন এবং প্রতিকার প্রার্থনা করেন। কিছু অ্যাপ্লিকেশন আরজি হিসাবে বিবেচিত হয়। যেমন প্রাইমশান গার্ডিয়ান নিয়োগের আবেদন, উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট, প্রবেট ইত্যাদি।

আদালত যোগে সাফকবলা দলিল কাকে বলে?
যদি কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি বিক্রি করার উদ্দেশ্যে কারোও নিকট হতে বায়না বাবদ টাকা গ্রহণ করে ও বায়নাপত্র সম্পাদন করে। এবং পরবর্তিতে যদি দলিল সম্পাদন বা রেজিষ্ট্রী করে দিতে না চায়, তাহলে যে ব্যক্তি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বায়না দিয়েছেন তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়ে নালিশ করে আদালত কর্তৃক দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রী করিয়ে নিতে পারবেন।

আদালতের বিচারে দলিল সম্পাদনের মোকদ্দমা ডিক্রি জারি হলে, উক্ত ডিক্রি ঐ আদালতে জারী দিয়ে দলিলের মুসাবিদা ও ষ্ট্যাম্প আদালতে দাখিল করলে, তম্মর্মে দলিল লিখে আদালত দাতার কাছে দস্তখত করে দলিল রেজিষ্ট্রী করে দিবেন।

বায়নাপত্র দলিল কাকে বলে?

কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে যে চুক্তিপত্র সম্পাদন করা হয় তাকে বায়নাপত্র বলে। বর্তমানে বায়না দলিল রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। বায়না পত্রের মাদ্যমেও স্বত্ব হস্তান্তরিত হতে পারে।

যদি কোন ব্যক্তি বায়নাপত্র মারফত জমির দখল বুঝিয়ে দিয়ে থাকেন এবং মূল্যের টাকা গ্রহণ করে থাকেন এবং বিশেষ কারণে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রী করে দেন নাই বা দিতে পারেন নাই।

যেহেতু দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং গ্রহীতা দখল বুঝিয়ে নিয়ে ভোগ দখল করছেন সেহেতু সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩ ধারা মতে আংশিক বিক্রয় কার্যকরী হয়েছে। অতএব জমিতে খরিদ্দারের স্বত্ব হয়েছে বলে গণ্য হবে।

বেনামী দলিল কাকে বলে?

কোন ব্যক্তি বিশেষ কোন কারণে তার নিজের নামে সম্পত্তি খরিদ করতে অসুবিধার সম্মুখীন হওয়া বিবেচিত হলে ঐ ব্যক্তি নিজ অর্থে ও স্বার্থে সম্পত্তি খরিদ করে তার দলিল নিজের নামে না করে তার যে কোন আত্মীয়ের বা বিশ্বাসী বন্ধু বান্ধবের নামে বেনামী দলিল করতে পারেন বা নিজের সম্পত্তি ঋণের দায়ে বা অন্য কোন কারণে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ঐ ব্যক্তি তার নিজের সম্পত্তি কোন আত্মীয় স্বজন বা বন্ধু বান্ধবের নামে দলিল করে দিতে পারেন। সেই দলিল অবশ্যই সাফকবালা ক্ষেত্র বিশেষে দানপত্র দলিল হবে।

কথায় কথায় ধর্ষণ মামলার হুমকি দেয় এমন অনেক নারী আছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড/যাবজ্জীবন, ক...
30/08/2022

কথায় কথায় ধর্ষণ মামলার হুমকি দেয় এমন অনেক নারী আছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড/যাবজ্জীবন, কম পক্ষে ১০ বছর কারাদন্ড ও অর্থদন্ড।

কিন্তু মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করলে নারীর পরিনাম এমনই হবে।

29/08/2022

প্রসঙ্গ চেক ডিজ‌‌‌নারের মামলায় আসামিকে জেলে পাঠানো যাবে না।।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে এটি দেওয়ানি প্রকৃতির মামলা হওয়ায় আসামিকে জেলে পাঠানো উচিত নয়।

বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে,
"আইন অনুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তির স্বাধীনতা হতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না"।

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক সনদ International Covenant on Civil and Political Rights এর ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে,
No one shall be imprisoned merely on the ground of inability to fulfil a contractual obligation. অর্থাৎ শুধুমাত্র চুক্তিভিত্তিক বাধ্যবাধকতা পূরণে অক্ষমতার কারণে কাউকে বন্দী করা যাবে না।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ডিজনারের মামলা শুধুমাত্র দেওয়ানি প্রকৃতির কিনা? এবং শুধুমাত্র চুক্তিগত বিষয় কিনা?

এটি দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় প্রকৃতির।

চেকের টাকা যথা সময়ে পরিশোধ না করলে যেহেতু দন্ডবিধির ৪০৬/৪২০ ধারায় প্রতারণার সৃষ্টি হয় সেহেতু চেকের মামলার বিষয়টা শুধুমাত্র "চুক্তি গত" তা আমার মনে হয় না।

36 BLD (2016) 347,351-353 মামলায় বলা হয়েছে যে, একই সাথে দেওয়ানি, অর্থ ঋণ ও ১৩৮ ধারার মামলা চলতে বাধা নাই।

যেহেতু টাকা আদায়ের জন্য দেওয়ানী মামলা দায়ের করতে কোন প্রকার বাধার সম্মুখীন হন না সেহেতু ১৩৮ ধারার মামলা একটা স্বতন্ত্র বিষয়।

চেকের মামলা করার উদ্দেশ্য।

এক কথায় পাওনা টাকা উদ্ধার করা।
অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে যে, রায় ঘোষণার মাধ্যমে শাস্তি হবে জেনেও আসামি কর্তৃক টাকা প্রদান করার কোন ইচ্ছা থাকে না। বছরের পর বছর মামলা চালাতে থাকে।
কিন্তু যে মুহূর্তে সাজা প্রদান করা হয় এবং আসামি গ্রেপ্তার হয় তখন ৫০% টাকা দিয়ে আসামি জামিন নিয়ে থাকেন।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, শাস্তি হওয়ার পর আসামি সাজা ভোগ করে কারাগার থেকে বের হয়ে যান। কিন্তু চেকের টাকা আর উদ্ধার হয় না।
এ বিষয়ে বলা আছে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৮৬ ধারায়।

এই ধারায়য় টাকা উদ্ধারে কয়জন এগিয়ে এসেছেন তা আমার জানা নাই।

হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে বলেছেন যে, চেকের মামলায় কারাগারে না পাঠিয়ে তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করা উচিত।

এক্ষেত্রে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
যেমন যারা শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য হলেও চেকের টাকা প্রদান করতে আগ্রহী তাদেরকে যদি তিনগুণ টাকা পরিশোধ করার জন্য বাধ্য করা হয় তখন তারা টাকা প্রদান করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন। যেহেতু কারাগারে যাওয়ার ভয়টা চিরতরে চলে যাবে।

আর যারা টাকা প্রদান করতে সম্পূর্ণ অপারগ, তারা স্বাচ্ছন্দে সাজা ভোগ করেন।
এক্ষেত্রে তাদেরকেও যদি চেকের টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করা হয় এই টাকা তারা কিভাবে প্রদান করবেন?

বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে বলা যায় যে, চেকের মামলায় সাজা প্রদান ব্যতীত টাকা উদ্ধার করা অনেক কঠিন ব্যাপার।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারার বিষয়টি আরো যুগ উপযোগী করে কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে আমি মনে করি।

20/08/2022

অর্পিত সম্পত্তির মামলায় মূল মালিকদের ক্ষতিপূরণসহ হাইকোর্টের দেয়া রায়ের কয়েকটি মতামত ও নির্দেশনা বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের আপিল নিষ্পত্তি করে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ কর্তৃক ঘোষিত রায়ের ৩৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ পেয়েছে। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান, বিচারপতি বোরহানউদ্দিন এবং বিচারপতি এম. এনায়েতুর রহিম।
আজ শনিবার (২০ আগস্ট) আপিলকারীর পক্ষের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রায় অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালের ২৩ মার্চের পরে অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্তি বে-আইনি। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার কোনো প্রচেষ্টাও বেআইনি হবে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। এছাড়া জনগণের উন্নতির জন্য সরকার অপ্রত্যর্পণযোগ্য অর্পিত সম্পত্তি উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবে বলেও মত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।
এর আগে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর অর্পিত সম্পত্তি আইন চালেঞ্জ করে সাবেক সরকারি কর্মমর্তা আবদুল হাই জনস্বার্থে একটি রিট দায়ের দায়ের করলে আদালত রুল জারি করেন। রুলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে মতামত ও নির্দেশনা দেন।
হাইকোর্টের মতামত ও নির্দেশনায় বলা হয় –
ভবিষ্যতে আর কোনো সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত করা যাবে না,
প্রতিটি জেলায় সম্পত্তি অর্পিত নিষ্পত্তির জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করা,
প্রতি জেলায় আপিল ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করা, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্দিষ্ট সময় মামলা নিষ্পত্তি করা,
মামলা ফাইলের ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রয়োগ করা,
ট্রাইব্যুনাল বা আপিল ট্রাইব্যুনালের রায় নির্দিষ্ট সময় বাস্তবায়ন করা,
সরকারের দখলে থাকা দাবিহীন অর্পিত সম্পত্তি মানুষের উন্নয়নে ব্যবহার করা,
প্রয়োজনীয় আইন করে যে সম্পত্তিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে সেগুলোর নামকরণে মূল মালিককে অন্তর্ভুক্ত করা এবং
যেসব অর্পিত সম্পত্তি অপ্রত্যর্পণযোগ্য সেই ক্ষেত্রে মালিককে আইন করে ক্ষতিপূরণ দেয়া।
পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় আপিল দায়ের করে এবং শুনানি শেষে গত ২ জুন আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে।
আপিল বিভাগ তার রায়ে বলেন, ২০০১ সালে অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে প্রণীত আইনে ট্রাইব্যুনাল গঠন, নির্দিষ্ট সময় মামলা নিস্পত্তি, তামাদি আইন প্রয়োগ, ডিক্রি বাস্তবায়ন, আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন, অর্পিত সম্পত্তি উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার ইত্যাদি সংক্রান্ত বিধানগুলি আছে।
রায়ে বলা হয়, আদালত কোনও আইন করার বিষয়ে ম্যানডামাস ইস্যু করতে পারে না, সরকারের নিকট ন্যাস্ত সম্পত্তির বিষয় সরকারের উপর আইন করার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।
আদালত রায়ে আরও বলেন, ভবিষ্যতে আর কোনও সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত না করার বিষয়ক নির্দেশনা নিরর্থক। কারণ আপিল বিভাগ ইতিপূর্বে দেওয়া রায়ে ১৯৭৪ সালের ২৩ মার্চের পরে অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্তি বে-আইনি ঘোষণা করেছে।
আদালতে আপিলকারী ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাভোকেট মনজিল মোরসেদ। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাভোকেট মো. ইমতিয়াজ ফারুক। অন্যদিকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাভোকেট সুব্রত চৌধুরী।
রায় প্রসঙ্গে মনজিল মোরসেদ বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। কারণ যদি মূল মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে হতো তাহলে হাজার হাজার একর অর্পিত সম্পত্তি যা সরকারের দখলে আছে সেসব সম্পত্তির মূল্য বাবদ হাজার হাজার কোটি টাকা অর্থ পরিশোধ করতে হতো।

আইনজীবীর অধীনে মুন্সি/ক্লার্কদের নিয়োগের আগে তাদের হলফনামা।এখানে তারা হলফ করেছেন যে,আইনজীবীর অনুমতি ব্যতীত মক্কেলের নিকট...
31/07/2022

আইনজীবীর অধীনে মুন্সি/ক্লার্কদের নিয়োগের আগে তাদের হলফনামা।
এখানে তারা হলফ করেছেন যে,আইনজীবীর অনুমতি ব্যতীত মক্কেলের নিকট হইতে মামলা সংক্রান্ত কোন প্রকার অর্থ গ্রহণ করবেননা,মামলার ফাইল গ্রহণ বা দখলে রাখবেননাএবং সে যে এডভোকেটের অধীনে ক্লার্ক হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন তার বাইরে গিয়ে অন্য এডভোকেটদের কাজ করবেনা।

কিন্তু কক্সবাজার বারে এই হলফ নামাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখায় ক্লার্করা,তারা ক্লার্ক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার পর নিজস্ব চেম্বার করে, মামলা কন্ট্রাক্ট করে,মক্কেলের নিকট হইতে অর্থ গ্রহণ করে,ফাইল দখলে রাখে।

এই লোক দেখানো হলফনামার মানে কি?
হলফনামায় আপনার দেওয়া বক্তব্য মেনে চলুন নয়তোবা কোর্ট প্রাঙ্গন ছাড়ুন। নাহয় পরিণতি ভয়াবহ হবে।

//ই-নামজারিতে স্বাক্ষরবিহীন কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান চালু// (ঢাকা, শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০২২) ই-নামজারি প্রক্রিয়ায় প্...
30/07/2022

//ই-নামজারিতে স্বাক্ষরবিহীন কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান চালু//

(ঢাকা, শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০২২) ই-নামজারি প্রক্রিয়ায় প্রণীত খতিয়ান ও ডিসিআর-এর নতুন ফরমেটে কিউআর কোড সংযুক্ত করা হয়েছে। কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা নাজিরের ম্যানুয়াল স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই।

ভূমিসেবা জনবান্ধব করার প্রত্যয়ে ভূমির সকল সেবাকে ডিজিটাইজড করা হচ্ছে। তারই আলোকে ই-মিউটেশন প্রক্রিয়ায় প্রণীত খতিয়ান ও ডিসিআর এর নতুন ফরমেটে কিউআর কোড (Quick Response Code/ 2D bar code) সংযুক্ত করা হয়েছে। কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রদত্ত ডিসিআর ও খতিয়ান-এর সমতুল্য এবং আইনগতভাবে বৈধ ও সর্বক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও ব্যবহারোপযোগী। কিউ আর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান প্রাপ্তির পর ভূমি অফিস থেকে ম্যানুয়াল ডিসিআর / খতিয়ান সংগ্রহ করার প্রয়োজনীয়তা নেই।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমিসেবা কাঠামো (https://land.gov.bd) অথবা সরাসরি ই-নামজারি ওয়েবসাইট (https://mutation.land.gov.bd) এ গিয়ে QR কোড স্ক্যান করে কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন ডিসিআর এবং কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন খতিয়ানের বৈধতা সহজেই যাচাই করা যাবে। এই সংক্রান্ত একটি পরিপত্র ইতোমধ্যে জারি করা হয়েছে।

*খতিয়ান/Record of Rights: জমির মালিকানার স্বত্বলিপি / পর্চা।
*ডিসিআর/ DCR: ডুপ্লিকেট কার্বন রিসিপ্ট/Duplicate carbon receipt। ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায়ের রশিদ।
*নাজির: উপজেলা ভূমি অফিসে হিসাবরক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত।

//Non-signed QR coded ROR and DCR launched in e-Mutation//

QR code is embedded in the new format of Record of Rights (ROR/Khatiyan) and Duplicate Carbon Receipt (DCR) generated in the e-Mutation process. QR-coded DCRs and Khatiyan do not require a manual signature of the Assistant Commissioner (Land) or Nazir.

Land services are being digitized to make land services pro-people. QR code (Quick Response Code/ 2D barcode) is embedded in the new format of Khatiyan and DCR prepared in the e-Mutation process. QR-coded DCRs and Khatiyan are equivalent to DCR and Khatiyan issued manually and legally valid, acceptable, and usable in all aspects. After receiving the QR Coded DCR & Khatiyan, there is no need to collect manual DCR / Khatiyan from the Land Office.

One can easily check the validity of online DCR with QR code and online Khatiyan with QR code by scanning QR code by visiting the Land Service Platform (https://land.gov.bd) of the Ministry of Land or directly from the e-Mutation website (https://mutation.land.gov.bd). A circular in this regard has already been issued.

পরিপত্র/Circular : http://www.minland.gov.bd/site/notices/272a1530-7d56-427b-b6e2-479ecd6e1222/ই-মিউটেশন-প্রক্রিয়ায়-প্রণীত-খতিয়ান-ও-ডিসিআর-এর-নতুন-ফরমেটে-কিউআর-কোড-সংযুক্তকরণ

Address

Chamber: C-29(6st Floor), Annex Building, Court Hill
Chittagong
4700

Telephone

+8801811169432

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Imran's Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Imran's Law Firm:

Share