21/12/2025
সেন্ট-মার্টিন গামী সকল জাহাজের টিকিট ও ট্রাভেল পাস আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ফিলাপ খালি নাই, তার মানে আপনি যদি এখন সেন্ট মার্টিন যেতে চান আপনাকে আগামী বছর ২০২৬ সালে যেতে হবে।।
সেন্টমার্টিন ভ্রমণ যাত্রায় কিভাবে ট্রাভেল পাস ও জাহাজের টিকিট কাটবেন বিস্তারিত দেয়া হলো। ইতিমধ্যে জাহাজ কোম্পানি গুলো অনলাইনে QR কোড সন্নিবেশিত টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। চাইলে আপনি সরকারি অনুমদিত পোর্টাল "বিডি টিকেটের" মাধ্যমে টিকেট কাটতে পারবেন।
🛳️🛳️🎋🎋 ১. অনুমোদিত জাহাজের টিকিটের সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিউআর কোডযুক্ত ট্রাভেল পাস জেনারেট হয়ে যায়। পর্যটকদের আলাদা করে কোনো পাস সংগ্রহ করতে হবে না। অনুমোদিত জাহাজ কর্তৃপক্ষ বা ট্রাভেল এজেন্টের কাছ থেকে টিকিট কিনলেই হবে।।
🛳️🛳️ 🎋🎋 ২. বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টাল www.bdtickets.com/launch এর মাধ্যমে সেন্টমার্টিন গমনের জন্য QR Code সন্নিবেশিত টিকিট ক্রয় করতে পারেন।।
🛳️🛳️ 🎋🎋 ৩. বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী চলতি সীজনে জাহাজের টিকেট এর সাথে আলাদা করে ট্রাভেল পাশের QR কোড প্রয়োজন হবে।।
🛳️🛳️🎋🎋 ৪. টিকিটের উপর Travel pass এবং QR Code বসানো থাকবে। বৈধ QR Code বিহীন টিকিট নকল হিসেবে গণ্য হবে। ট্রাভেল পাসের QR কোড সন্নিবেশিত টিকেট সেন্টমার্টিন ত্যাগের পূর্ব পর্যন্ত সংরক্ষণ করুন।
🛳️🛳️ ৫. আপনার ক্রয় কৃত টিকেট এর হার্ড প্রিন্ট করে নিয়ে যাবেন, জাহাজে উঠার সময় লাগবে।। টিকেট ক্রয়ের সময় আপনার নাম, মোবাইল নম্বর, এন আইডি কার্ডের নম্বর, জন্ম তারিখ, ইমেইল এড্রেস দরকার হবে।।
উপরোক্ত সকল তথ্য সহ যাত্রীর নাম অন্যান্য তথ্য দিয়ে টিকেট কাটতে হবে, একজনের এনআইডি ইনফরমেশন দিয়ে সর্বোচ্চ ৫-টি টিকেট কেনা যাবে।।।
🛳️🛳️ সেন্ট মার্টিন গামী জাহাজ ছাড়বে কক্সবাজারের নুনিয়ার ছড়া ঘাট থেকে, এয়ারপোর্টের কাছে এই ঘাট।।
🛳️🛳️🛳️ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে বাংলাদেশ বন ও পরিবেশ মন্ত্রালয় সহ আরো কিছু সরকারি নির্দেশনা মানতে হবে।
🛳️ ১. নভেম্বর মাসে সেন্টমার্টিনে শুধু দিনের বেলায় ভ্রমণ করা যাবে — রাতে থাকতে দেওয়া হবে না।
🛳️ ২. ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে রাত্রিযাপন এর অনুমতি থাকবে, তবে পর্যটকদের সংখ্যা থাকবে সীমাবদ্ধ।
🛳️ ৩. ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে — পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়।
🛳️🛳️🎋🎋 ৪. প্রতিদিন গড়ে সর্বোচ্চ ০২ হাজার পর্যটক প্রবেশ করতে পারবেন।
🛳️🛳️ ৫. রাতের বেলায় সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ করা, বারবিকিউ পার্টি করা সম্পূর্ন নিষিদ্ধ।
🛳️🛳️🎋🎋 সেন্টমার্টিন দ্বীপের অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরকার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা হতে ১২টি নির্দেশনা সংবলিত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
১. বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোনো নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না।
২. পর্যটকদের অবশ্যই বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট ক্রয় করতে হবে, যেখানে প্রতিটি টিকিটে ট্রাভেল পাস এবং কিউআর কোড সংযুক্ত থাকবে। কিউআর কোড ছাড়া টিকিট নকল হিসেবে গণ্য হবে।
৩. দ্বীপে ভ্রমণের সময়সূচি এবং পর্যটক উপস্থিতিও এবার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে।
৪. নভেম্বর মাসে পর্যটকরা শুধু দিনের বেলায় ভ্রমণ করতে পারবেন, রাত্রিযাপন করা যাবে না।
৫. ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাত্রিযাপনের অনুমতি থাকবে।
৬. ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।
৭. প্রতিদিন গড়ে দুই হাজারের বেশি পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণ করতে পারবেন না।
৮. সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে দ্বীপে রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি, বা বারবিকিউ পার্টি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৯. কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ বা ক্রয়-বিক্রয়, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুক ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
১০. সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ যে কোনো মোটরচালিত যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
১১. নিষিদ্ধ পলিথিন বহন করা যাবে না এবং একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক যেমন চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিক চামচ, স্ট্র, সাবান ও শ্যাম্পুর মিনিপ্যাক, ৫০০ ও ১০০০ মিলিলিটারের প্লাস্টিক বোতল ইত্যাদি বহন নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
১২. প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে পর্যটকদের নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
ধন্যবাদান্তে: Flying Bird