01/02/2026
Power of Attorney Act,2012
ধারা: ৪ > অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ক্ষমতা অর্পণ, ইত্যাদি
(১) পণ মূল্য গ্রহণের বিনিময়ে ভূমি উন্নয়ন সংক্রান্ত অপ্রত্যাহারযোগ্য প্রতিটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নির একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকিবে এবং উক্ত মেয়াদে উহা অপ্রত্যাহারযোগ্য শর্তে বহাল থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ভূমি উন্নয়ন সংক্রান্ত পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মেয়াদ অতিক্রান্ত হইবার পরও পাওয়ার গ্রহীতার অংশের বিক্রয়, বিক্রয় চুক্তি সম্পাদন বা ঋণ গ্রহণের বিপরীতে বন্ধকী দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হইবে না এবং উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বহাল আছে মর্মে গণ্য হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান সত্ত্বেও, পাওয়ার অব অ্যাটর্নির উদ্দেশ্য বা শর্ত ব্যাহত বা কোন পক্ষ ক্ষতির সম্মুখীন হইলে রেজিস্টার্ড ডাকের মাধ্যমে পাওয়ার দাতা বা গ্রহীতা ৩০ (ত্রিশ) দিনের নোটিশ প্রদানপূর্বক উক্ত দলিলে প্রদত্ত ক্ষমতার অবসান পারিবেন এবং উক্ত নোটিশের একটি কপি সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নথিভুক্তকরণের নিমিত্ত প্রেরণ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১৩ এর বিধান মোতাবেক কোন পদক্ষেপ গৃহীত হইলে উহা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উক্ত দলিলে প্রদত্ত ক্ষমতার অবসান ঘটানো যাইবে না।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রদত্ত নোটিশ জারীর সঙ্গে সঙ্গে ধারা ১৩ এর বিধান মোতাবেক চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উক্ত পাওয়ার অব অ্যাটর্নির কার্যকরতা স্থগিত হইয়া থাকিবে।
(৫) পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে পাওয়ারদাতা ও পাওয়ারগ্রহীতা সম্মতির ভিত্তিতে রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে উহার মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবেন।
(৬) অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মেয়াদ অবসান হইবার পূর্বে পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতার মৃত্যু হইলে বা তাহারা আইনগতভাবে দলিল সম্পাদনে অক্ষম হইলে উক্ত মৃত বা অক্ষম ব্যক্তির বৈধ ওয়ারিশ বা স্থলবর্তীর উপর দলিল হইতে উদ্ভূত দায় বা অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্পিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৯ এর বিধান সাপেক্ষে, একক গ্রহীতার ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
ধারা:১৩ > বিরোধ নিষ্পত্তি
(১) রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীন রেজিস্ট্রিকৃত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি হইতে উদ্ভূত যে কোন বিরোধ পক্ষগণ প্রথমে নিজেদের মধ্যে আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী আপোষ মিমাংসার পদক্ষেপ গ্রহণের পর যদি কোন পক্ষের অসহযোগিতার কারণে উহা ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে অপরপক্ষ বিবাদমান বিষয়টি একজন নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য অপরপক্ষকে নোটিশ প্রদান করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নোটিশ প্রাপক উক্ত নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নোটিশ প্রেরকের সহিত যৌথভাবে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
(৪) পক্ষগণ কর্তৃক নিয়োগকৃত মধ্যস্থতাকারীর সিদ্ধান্ত পক্ষগণসহ তাহাদের মাধ্যমে বা অধীনে দাবীদার যে কোন ব্যক্তির উপর বাধ্যকর হইবে এবং উহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন পক্ষের আপত্তি উত্থাপনের অধিকার থাকিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৩) মোতাবেক পক্ষগণ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে যে কোন পক্ষ বিবাদমান বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য কোন উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন।
[***]Power of Attorney act , 2012 অনুযায়ী দাতা কর্তৃক বাতিলের উদ্দেশ্যে ৪(৩) ধারা অনুযায়ী নোটিশ প্রদানের পর গ্রহীতার নির্লিপ্ততায় ১৩(২) ধারা অনুযায়ী নোটিশ কোন পক্ষ কর্তৃক প্রেরণ করিতে হইবে?
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(৩) অনুযায়ী দাতা কর্তৃক বাতিলের নোটিশ পাওয়ার পর গ্রহীতার নির্লিপ্ততা বা সহযোগিতার অভাবে, ধারা ১৩(২) অনুযায়ী সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নোটিশ ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ (সাধারণত দাতা) কর্তৃক অপর পক্ষের (গ্রহীতা) প্রতি প্রেরণ করিতে হইবে।
মূল বিষয়সমূহ:
☞বিরোধের সৃষ্টি: ৪(৩) ধারার নোটিশের পর ৩০ দিনের মধ্যে গ্রহীতা কোনো ব্যবস্থা না নিলে বা অমত পোষণ করলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
☞১৩(২) ধারা: সালিশকারী নিয়োগের জন্য নোটিশ প্রদানকারী পক্ষ (প্রথম নোটিশ দাতা) কর্তৃক অপর পক্ষকে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বিরোধ নিষ্পত্তির নোটিশ পাঠাতে হবে।
☞গ্রহীতার নির্লিপ্ততা: গ্রহীতা নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে সালিশকারী (Arbitrator) নিয়োগে যৌথ উদ্যোগ না নিলে আইনানুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
✔এখানে ২ টা বিষয়
১| যদি উভয় পক্ষের সম্মতিতে কোন মধ্যস্ততাকারী নিয়োগের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়, সেক্ষেত্রে মধ্যস্থাকারী কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, চূড়ান্তের বিপরীতে কোন প্রশ্ন তোলা যাবে না।
২| যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের নির্লিপ্ততা বা অসহযোগিতার কারণে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে অক্ষম হয়, সেক্ষেত্রে উদ্যোগী পক্ষ আইন মোতাবেক আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করিতে পারবেন।