12/04/2026
কর ফাঁকির অভিনব ও ভয়াবহ উদাহরণগুলো জানলে সত্যিই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়, যা দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দিচ্ছে । এনবিআর-এর তথ্য ও সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসা ১০টি প্রধান কর ফাঁকির উপায় নিচে দেওয়া হলো:
১. সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য গোপন: গুলশান-তেজগাঁওয়ের মতো অভিজাত এলাকায় বাণিজ্যিক ও আবাসিক স্পেস কেনাবেচায় সরকারি দলিলমূল্য অত্যন্ত কম দেখিয়ে আসল দাম গোপন করা।
২. ভুয়া ভ্যাট চালান: পণ্য না কিনেই বা ভ্যাট না দিয়েও ভুয়া চালান ব্যবহার করে ভ্যাট রেয়াত নেওয়া।
৩. আয় গোপন বা কম দেখানো: আয়ের চেয়ে কর ফাইলে বাৎসরিক আয় অনেক কম দেখিয়ে কর ফাঁকি দেওয়া।
৪. ব্যক্তিগত খরচকে ব্যবসার খরচ দেখানো: ব্যক্তিগত গাড়ি, সংসার বা ভ্রমণের খরচকে প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যয় হিসেবে দেখিয়ে কর কমানো।
৫. অফশোর ব্যাংকিং বা বিদেশে অর্থ পাচার: দেশের উপার্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে কর ফাঁকি দেওয়া।
৬. জাল নথিপত্র: আয়কর ফাইলে ভুয়া দান (Gift) বা কাল্পনিক ঋণ দেখিয়ে আয়কে বৈধ করার চেষ্টা।
৭. বেনামী সম্পদ: নিজের নামে সম্পদ না রেখে কর্মচারী বা আত্মীয়ের নামে বেনামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রাখা।
৮. পণ্য আমদানিতে কম ইনভয়েস (Under-invoicing): পণ্য আমদানির সময় কম দামের ভুয়া ইনভয়েস দেখিয়ে কাস্টমস ডিউটি ও ট্যাক্স কম দেওয়া।
৯. সবুজ ক্লিয়ারেন্স বা এনওসি-তে ফাঁকি: পরিবেশ বা অন্যান্য ছাড়পত্রের তথ্য গোপন করে কর দায় এড়ানো।
১০. টিন (TIN) থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন না দেওয়া: ব্যবসার বড় লেনদেন থাকলেও টিন ব্যবহার না করে বা রিটার্ন দাখিল না করে কর এড়ানো ।
সংগৃহীত