Advocate Ishrat Shabrin

Advocate Ishrat Shabrin Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Advocate Ishrat Shabrin, Lawyer & Law Firm, Chittagong.

17/04/2026

গ্রেফতারী পরোয়ানা কি.....

ফৌজদারী কার্যবিধি ধারা ৭৫/১) মতে, কোন ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত করার লক্ষে আদালত কর্তৃক জারীকৃত লিখিত আদেশ, যা প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক বা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের ক্ষেত্রে, বেঞ্চ সহকারি যেকোন সদস্য কর্তৃক স্বাক্ষর কৃত এবং আদালতের সীলমোহরকৃত যে আদেশনামা দেওয়া হয় তাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা বলে।
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭৫/২ অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রেফতারী পরোয়ানা ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত প্রদানকারী আদালত কর্তৃক উক্ত পরোয়ানা বাতিল বা অকার্যকর করা না হয়।

17/03/2026

জীবনে অনেক তো মুনাজাত করেছেন! এবার উত্তমরূপে এইভাবে একবার করুন।

✅নিজের জন্য দোয়ার লিস্ট

আমাদের দু'আর সবচেয়ে বেশি হক্কদার আমরা নিজেরাই। রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর সুন্নাহ, কারো জন্য দু'আ করলে প্রথমে নিজের জন্য দু'আ করা। (মুসনাদে আহমদ ২১২৪৭ (৫/১২১)

দু'আ লিস্টটাতে আমি নিজের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের বেসিক চাওয়াগুলোই লেখার চেষ্টা করেছি। আপনারা অবশ্যই আপনাদের নোটবুকে দু'আগুলো নোট করে নিবেন। এসব ছাড়াও আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। সেসবও নোট করে রাখার চেষ্টা করবেন। ছোট-বড় সকল প্রয়োজন আল্লাহকে বলবেন। খুব করে আল্লাহর কাছে চাইবেন। বেশি বেশি চাইবেন।

দু'আতেই সব সুখ! একমাত্র দোয়াই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, মৃত্যু পর্যন্ত পিছিয়ে যায় (নেক হায়াৎ বৃদ্ধি পায়)।

ইয়া আল্লাহ, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম,

আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দাও।

তুমিই আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে।

আমি তোমার কাছে পানাহ চাই তাকদিরের খারাপ কিছু থেকে।

হে আল্লাহ! আমার উপর তোমার রহমত, দয়া, বরকত, শান্তি, ক্ষমা বর্ষণ করো।

ক্ষমা করে দাও আমার আগের পাপ, আমার পরের পাপ, আমার ছোট-বড় সকল পাপ, আমার গোপন পাপ, আমার প্রকাশ্য পাপ। আমার বাড়াবাড়ি এবং যে সকল পাপের কথা তুমি ভালো জানো। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি ভুলে যাই। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি পাপই মনে করি না।

আমাকে আশ্রয় দাও বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার ওয়াসওয়াসা থেকে ও অতৃপ্ত নফস থেকে।

আমাকে আশ্রয় দাও দুনিয়ার জীবনের ফিতনা ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। এবং দাজ্জালের অমঙ্গল থেকে।

আমার জন্য তোমার করুনার দরজা, তোমার রহমতের দরজা খুলে দাও।

আমার রিজিকে প্রশস্ততা দাও। অঢেল বরকতময় রিজিক দাও। বেহিসাবি রিজিক দাও। এবং সেসব তোমার সন্তুষ্টি অনুযায়ী তোমার পথে ব্যয় করার নসীব দাও।

আমাকে সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতার জীবন দাও। পরিপূর্ণ সুস্থতা, নিরাপত্তা দাও।

আমাকে মৃত্যু অবধি পরিপূর্ণ হিদায়তের উপর অটল রাখো। আমাকে এক মূহুর্তের জন্যও নিজের জিম্মায় ছেড়ে দিও না।

ইয়া রব্ব, আমার অভিভাবক, বন্ধু হিসেবে তুমিই যথেষ্ট হয়ে যাও।

হে আমার প্রতিপালক, আমাকে বানিয়ে দাও তোমার জন্য অধিক

কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, অধিক যিকরকারী, অধিক তাকওয়াবান, তোমার প্রতি অধিক বিনয়ী, অধিক আনুগত্যকারী, তোমার প্রতি বেশি বেশি তওবাকারী।

আমার জিহ্বাকে তোমার যিকর দ্বারা সুসজ্জিত, পবিত্র করে দাও। আমার কলবকে আখিরাতের ফিকির দ্বারা পূর্ণ করে দাও।

আমার তওবা কবুল করে নাও। আমার পাপকে ধুয়ে দাও, আমার দুআ কবুল করো। আমার জিহ্বাকে পবিত্র ও সুসংরক্ষিত রাখো।

আমার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করো। হিংসা, বিদ্বেষ, সংকীর্ণতাসহ সমস্ত অন্তরের রোগ থেকে আমার অন্তরকে পবিত্র রাখো।

আমার হৃদয়কে আজীবনের জন্য প্রশান্ত করে দাও।

যা কিছু আমাকে পীড়িত করে, সেসব কিছু আমার কাছ থেকে সরিয়ে নাও।

আমার ইজ্জত-আব্রুকে হেফাজত করো আমার মৃত্যু অবধি এবং এর পরেও।

দুনিয়ার কারো কাছে আমার মাথা নত হতে দিও না। সৃষ্টির মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে পানাহ দাও।

আল্লাহ! আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াতের সাথে সম্মানিত করো।

আমাকে দুনিয়ায় দাও উত্তম বাসস্থান, উত্তম পরিজন, উত্তম সঙ্গী ও উত্তম রিজিক। আখিরাতকে করো দুনিয়ার চেয়ে বহুগুণে উত্তম, পবিত্র ও সম্মানিত।

মৃত্যুকে আমার জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে দাও। ইজ্জতের সাথে আমার মৃত্যু দাও। জবানে কালিমা রেখে, অন্তরে তোমার ভরপুর ভালোবাসা, তাকওয়া রেখে মৃত্যুবরণ করার তওফিক দাও। আমাকে শাহাদাতের মৃত্যু দাও। রাসুলের শহরে আমার মৃত্যু দাও। জান্নাতুল বাকিতে দাফন হওয়ার নসীব দাও। আমার কবরকে প্রশস্ত, আরামদায়ক করে দাও।

তোমার নিয়ামত দেওয়ার পর তা ছিনিয়ে নিও না। এবং এর সাথে পরীক্ষাও রেখো না।

আমাকে এমন কষ্ট দিও না, যা আমার ইমানকে সংকটে ফেলবে, আমার অন্তর বিধ্বস্ত করে দিবে। আমার শরীর ভেঙে দিবে। আমলে ঘাটতি আনবে।

আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ চাই। আমার জানা-অজানা যত কল্যাণ, সব তুমি আমায় দাও। আমার জানা-অজানা সমস্ত অকল্যাণ থেকে আমাকে আজীবন পানাহ দাও।

ইয়া রব্ব! তোমার কোনো বান্দা আমার উপর যেন প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে জুলুম করতে না পারে। আমিও যেন তোমার কোনো বান্দার উপর জুলুম না করি।

আমাকে সবসময় এমন মানুষদের সঙ্গে রেখো, যাদের সঙ্গ ঈমানকে বৃদ্ধি করে।

মা-বাবা ও জীবনসঙ্গীর সন্তুষ্টি নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাতের তওফিক দাও।

ইয়া রব্ব। এমন দু'আ থেকে পানাহ চাই, যে দু'আ কবুল হয় না। আমার অন্তরের চাওয়াগুলো আমার চেয়ে তুমি ভালো জানো। আমার চাওয়াগুলো আফিয়াতের সাথে, উত্তমভাবে কবুল করে নাও।

আমিন

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

14/03/2026

মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা হলে কি করবেন?....................................................…........
মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলার শিকার হলে আইনিভাবে প্রতিকার পাওয়ার জন্য নিচের পদক্ষেপ গুলো নিতে পারেন—

১. আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
আপনার বিরুদ্ধে মামলা হলে দ্রুত একজন দক্ষ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন। তিনি মামলা বিশ্লেষণ করে আপনাকে আইনি পরামর্শ দেবেন এবং যথাযথ পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করবেন।

২. আগাম জামিনের জন্য আবেদন করুন।

যদি মামলা জামিনযোগ্য না হয় বা গ্রেপ্তার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে দ্রুত আগাম জামিন (Anticipatory Bail) নিতে হবে। জামিন পেলে মামলার শুনানি পর্যন্ত আপনি গ্রেপ্তার এড়াতে পারবেন।

৩. মিথ্যা মামলা প্রতিরোধে পাল্টা মামলা করুন।

যদি মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়, তাহলে—

দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী, মিথ্যা মামলা দায়েরের জন্য অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

মানহানির মামলা (Defamation Case) করতে পারেন, যদি এতে আপনার সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুনাম নষ্ট হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারা অনুযায়ী, মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে।

৪. মামলার তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করুন,
আপনার নির্দোষিতা প্রমাণ করতে—
ফোন কল, মেসেজ, ইমেইল, ভিডিও ফুটেজ, সাক্ষীর বক্তব্য ইত্যাদি সংরক্ষণ করুন।
প্রমাণ দিন যে অভিযোগটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক।

৫. উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করুন।

আপনার বিরুদ্ধে মামলা যদি হয়রানিমূলক হয়, তবে হাইকোর্টে মামলা বাতিলের (Quashment) জন্য ৪৮২ ধারা অনুযায়ী আবেদন করতে পারেন।

৬. পুলিশ বা তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করুন।

তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন এবং আপনার পক্ষের তথ্য-প্রমাণ তাকে দিন, যাতে তিনি সঠিকভাবে তদন্ত করতে পারেন।

৭. সামাজিক ও মানসিকভাবে সচেতন থাকুন ।

মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে ধৈর্য ধরুন ও আইনের প্রতি আস্থা রাখুন। মিডিয়া বা সামাজিক মাধ্যমে আগে কিছু না বলাই ভালো, কারণ এতে আপনার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

10/03/2026

🌙 লাইলাতুল কদরের রাতে আমলের একটি সহজ গাইডলাইন
লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম একটি রাত। তাই এই রাতের প্রতিটি মুহূর্ত যেন ইবাদতে কাটে, সেজন্য একটু পরিকল্পনা করে নেয়া ভালো।
প্রস্তুতি:
সর্বপ্রথম চেষ্টা করবেন দুপুরের দিকে একটু বিশ্রাম করে নিতে, যেন রাতে জেগে ইবাদত করার শক্তি পাওয়া যায়, ইনশাআল্লাহ। গোসলসহ প্রয়োজনীয় বড় কাজগুলো আগেই সেরে রাখুন, যাতে মাগরিবের পর এক মুহূর্ত সময়ও নষ্ট না হয়।
🌙 ১। মাগরিবের পর
মাগরিবের পর থেকে অহেতুক স্ক্রিন টাইম, সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করা, টিভি দেখা থেকে বিরত থাকুন।
হাতে কোনো কাজ থাকলেও মুখে দোয়া ও জিকির করতে থাকুন।
🌙 ২। কথাবার্তায় সতর্ক থাকুন
মাগরিবের পর থেকেই কদরের রাতের শুরু হতে পারে।
তাই খেয়াল রাখবেন—
গীবত, পরনিন্দা বা অপ্রয়োজনীয় কথা যেন না হয়।
এইসব গুনাহের কারণে যেন আপনার কদরের রাত নষ্ট না হয়ে যায়।
🌙 ৩। মাগরিবের নামাজের পর
মাগরিবের নামাজ শেষে সন্ধ্যার দোয়া ও জিকিরগুলো বই দেখে ভালোভাবে পড়ে নিন।
এগুলো আপনার পুরো রাতের ইবাদতকে সহজ করে তুলবে এবং শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা করবে, ইনশাআল্লাহ।
🌙 ৪। এশার নামাজ
ভাইরা মসজিদে গিয়ে এশা ও তারাবির নামাজ আদায় করবেন।
বোনেরা ঘরে একই সময়ে নামাজ শুরু করে দিবেন, যেন পূর্ণ এনার্জি নিয়ে দীর্ঘ সময় ইবাদত করতে পারেন।
🌙 ৫। নফল নামাজ ও কুরআন তিলাওয়াত
এশার নামাজের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে কদরের নিয়তে ২ রাকাত করে নফল নামাজ পড়তে পারেন।
নামাজ শেষে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারেন।
🌙 ৬। রাত ১টা – ২টা : জিকির ও দোয়া
🔹 কদরের রাতের সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া:
"আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।"
🔹 জান্নাতে গাছ লাগানোর জিকির:
"সুবহানাল্লাহিল আ'যিম ওয়া বিহামদিহি"
🔹 আরো পড়তে পারেন —
সুবহানাল্লাহ (১০০+ বার)
আলহামদুলিল্লাহ (১০০+ বার)
আল্লাহু আকবার (১০০+ বার)
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (১০০+ বার)
আস্তাগফিরুল্লাহ (১০০+ বার বা যত বেশি সম্ভব)
বেশি বেশি দুরুদ শরীফ
🔹 অন্যান্য জিকির:
সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদীর (১০০ বার)
দোয়া ইউনুস:
"লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ্জালিমীন"
সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আ'যিম
🔹 এছাড়াও পড়তে পারেন:
লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
সূরা ইখলাস
সায়্যিদুল ইস্তিগফার
সূরা মুলক
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত
কুরআনে উল্লেখিত বিভিন্ন দোয়া
🔹 জান্নাত প্রার্থনা ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা:
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতাল ফিরদাউস।
আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার।"
🌙 ৭। রাত ২টা – ৩টা : তাহাজ্জুদ নামাজ
এই সময় ধীরে ধীরে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ুন।
রুকু ও বিশেষ করে সিজদায় বেশি সময় নিয়ে দোয়া করুন।
সিজদায় নিজের সব প্রয়োজন আল্লাহর কাছে খুলে বলুন।
🌙 ৮। সালাতুল হাজত
মনের বৈধ কোনো প্রয়োজন থাকলে সালাতুল হাজত নামাজ পড়তে পারেন।
এটিও ২ রাকাত করে নফল নামাজ।
🌙 ৯। শেষ রাতের দোয়া
শেষ রাতে অবশ্যই হাত তুলে আল্লাহর কাছে কাঁদুন।
নিজের সব দুঃখ, কষ্ট ও প্রয়োজন খুলে বলুন।
বলুন—
"হে আমার মালিক, আমি আপনারই ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই সাহায্য চাই..."
🌙 ১০। সাহরি ও ফজর
সাহরি খান এবং ফজরের নামাজ আদায় করুন।
✨ গুরুত্বপূর্ণ কথা:
রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলো (২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯)-এর যেকোনো একটি রাতই লাইলাতুল কদর হতে পারে।
তাই এই রাতগুলোতে বেশি বেশি ইবাদত করার চেষ্টা করুন।
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে লাইলাতুল কদর পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।



10/03/2026

🚨 আপনি কি জানেন—আপনার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সরাসরি হাইকোর্টে যেতে পারেন?

অনেকেই মনে করেন হাইকোর্টে যাওয়া খুব কঠিন বা শুধু বড় বড় মামলার জন্য।

কিন্তু বাস্তবতা হলো—
⚖️ বাংলাদেশ সংবিধান নাগরিককে সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে যাওয়ার অধিকার দিয়েছে। এটাকেই বলা হয় রিট (Writ)।

🔰 রিট (Writ) কী?

সহজ ভাষায়—
👉 কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে
👉 অথবা প্রচলিত আইনে কার্যকর প্রতিকার না থাকলে
বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে যে আবেদন করা হয় সেটিই রিট।

রিট হলো হাইকোর্ট বিভাগের Special Original Jurisdiction।

📌 অর্থাৎ আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো আদেশ দিতে পারেন।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
সাধারণত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি রিট করা যায় না। যদি কোনো প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান অন্যায় করে, সেক্ষেত্রে প্রতিকার চাইতে হয় দেওয়ানী আদালতে।

🇧🇩 বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার
বাংলাদেশ সংবিধানের ২৬ থেকে ৪৭(ক) অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারগুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অধিকার—

✔ আইনের দৃষ্টিতে সমতা
✔ বৈষম্য নিষিদ্ধ
✔ সরকারি চাকরিতে সমান সুযোগ
✔ আইনের আশ্রয়লাভের অধিকার
✔ গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে সুরক্ষা
✔ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচারের অধিকার
✔ চলাফেরা ও সমাবেশের স্বাধীনতা
✔ চিন্তা ও বাকস্বাধীনতা
✔ পেশা নির্বাচনের স্বাধীনতা
✔ ধর্মীয় স্বাধীনতা
✔ সম্পত্তির অধিকার
✔ গৃহ ও যোগাযোগের গোপনীয়তা

⚖️ মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে কী করবেন?
আপনি চাইলে সংবিধানের ১০২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করতে পারেন।

হাইকোর্ট বিভাগ প্রয়োজন অনুযায়ী—
✔ Rule
✔ Order
✔ Declaration
জারি করতে পারেন।

👨‍⚖️ সরকারি চাকরি থেকে অন্যায়ভাবে অপসারণ হলে
সাধারণত সরকারি চাকরি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয় Administrative Tribunal এ।

তবে অপসারণ আদেশ যদি আইনবহির্ভূত বা ন্যায্য বিচারনীতির পরিপন্থী হয়, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগে Certiorari Writ করা যেতে পারে।

হাইকোর্ট বিভাগ প্রয়োজনে সেই অপসারণ আদেশ অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন।

⚖️ Suo Motu রিট
সংবাদপত্রের রিপোর্ট বা কোনো তথ্যের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগ স্ব-উদ্যোগে (Suo Motu) রিট জারি করতে পারেন।
এটিকে বলা হয় Epistolary Jurisdiction।

📌 Tayeeb vs Bangladesh (2015) মামলায় আপিল বিভাগ মত দেন— যদি বিষয়টি জনস্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগ Suo Motu রিট গ্রহণ করতে পারেন।

⚖️ আইন জানুন, নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন।

📢 এই তথ্যগুলো সবার জানা প্রয়োজন-তাই পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।

ধন্যবাদান্তে
এডভোকেট ইসরাত সাবরিন
অ্যাডভোকেট

জেলা ও দায়রা জজ চট্টগ্রাম
01540113816



💬 আপনার কোনো আইনি সমস্যা থাকলে ইনবক্সে বা WhatsApp-এ বিস্তারিত লিখে জানাতে পারেন।

08/03/2026

*সারাদিন গাধার মতো খাটার পর ,সারাদিন কি করলা শোনা মেয়েদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা
*সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রিয়জনের পথ চেয়ে বসে থেকে উনি বাসায় ফিরে ধমক খাওয়া মেয়েদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা
*তোর মতো মেয়ে জন্ম দিয়ে ভুল করেছি শোনা মেয়েদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা
*বাবার বাড়ি থেকে কি এনেছো শোনা মেয়েদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা
*নিজের শখ আহ্লাদ ভালো লাগা বিসর্জন দেয়ার পরও ,তুমি কি করেছো এই সংসার টার জন্য শোনা মেয়েদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা
*তোমার জন্য খরচ বেড়ে যাচ্ছে শোনা মেয়েদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা
*এতো পড়াশোনা করে চাকরী করে কি আর করবি,সেই তো ভাত ই রান্না করবি ,এমন যুদ্ধক্ষেত্রে বেড়ে ওঠা মেয়েদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা....

আসলেই নারী দিবসে তো শুভেচ্ছা জানানোই যায়, তারপর যা হবে হোক তাই না 😅

~~~~~~Happy women's day after all~~~~~

 #চেকের মামলায় সাজা হলে ৫০% টাকা জমা না দিয়ে জামিন পাওয়া যায় কিনা? আমরা সবাই জানি, চেকের মামলায় রায় হলে নালিশি চেকের ৫...
08/03/2026

#চেকের মামলায় সাজা হলে ৫০% টাকা জমা না দিয়ে জামিন পাওয়া যায় কিনা?

আমরা সবাই জানি, চেকের মামলায় রায় হলে নালিশি চেকের ৫০% টাকা জমা দেওয়া ব্যতীত সাধারণত জামিন ও আপিল করা যায় না। তবে আইনের দৃষ্টিতে এমন পরিস্থিতিও রয়েছে, যেখানে ৫০% টাকা জমা না দিয়েও একজন দণ্ডিত ব্যক্তি আইনত জামিন পাওয়ার অধিকারী হতে পারেন।

কারণ অনেক সময় ৫০% টাকা সংগ্রহের জন্য ব্যক্তির কিছু সময়ের প্রয়োজন হয় এবং আপিল দায়েরের প্রস্তুতিতেও যুক্তিসঙ্গত সময় দরকার হতে পারে। এই বিষয়টি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

#আইনের সাধারণ বিধান:
চেকের মামলায় ১৩৮এ ধারা অনুযায়ী বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে নালিশি চেকের সমপরিমাণ টাকার অন্তত ৫০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট আদালতে জমা দিতে হয়। এটি আইনের সাধারণ বিধান।

অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ (২ক) ধারা অনুযায়ী বলা হয়েছে—যদি কোনো ব্যক্তি আদালত কর্তৃক অনূর্ধ্ব এক বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তিনি আপিল করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তবে আদালত আপিল দায়েরের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জামিন দিতে পারেন।

এ সময় পর্যন্ত সাজা কার্যকর থাকবে না এবং আসামি জামিনে মুক্ত থাকবেন বলে গণ্য হবে।

#গুরুত্বপূর্ণ নজির:
চেকের মামলায় সাজা হওয়ার পর জরিমানা বা চেকের টাকার ৫০% জমা না দিয়েও জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে “পুবালী ব্যাংক লিমিটেড বনাম চৌধুরী শামীম হামিদ ও অন্যান্য” (২০২৪, ৩১ ALR (AD) ৫৮) মামলাটি বাংলাদেশের উচ্চ আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির।

এই মামলায় আসামি বিচারিক আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হন এবং সাজা ও জরিমানার আদেশ পান। মামলাটির মূল প্রশ্ন ছিল—

টাকা জমা না দিয়ে কি সাজা স্থগিত বা জামিন পাওয়া সম্ভব?

টাকা জমার বিধান কি আসামির আপিল করার মৌলিক অধিকারকে খর্ব করে?

উচ্চ আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে ৫০% টাকা জমা দেওয়া একটি বিধিবদ্ধ শর্ত হলেও আসামির ব্যক্তিগত স্বাধীনতা একটি পৃথক বিষয়।

আদালত ব্যাখ্যা করেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ (১) ধারা অনুযায়ী আপিল আদালত সাজার কার্যকারিতা স্থগিত রাখতে পারেন এবং আসামিকে জামিন দিতে পারেন।

যদি আসামি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি অত্যন্ত দরিদ্র বা তার পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা জমা দেওয়া সম্ভব নয়, তবে কেবল টাকার অভাবে তাকে কারাগারে রাখা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হতে পারে।

এই মামলায় উচ্চ আদালত বিবাদীর সাজা স্থগিত করে তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জামিন প্রদান করেন এবং নির্দেশ দেন যে এই সময়ের মধ্যে তাকে আপিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

#আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
আব্দুল মজিদ বনাম রাষ্ট্র (২০১৭) মামলায়ও আদালত বলেন, ১৩৮এ ধারার বিধানটি আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক হলেও এটি আদালতের জামিন দেওয়ার ক্ষমতা খর্ব করে না।

যদি আসামি রায় ঘোষণার দিন আদালতে উপস্থিত থাকেন এবং তাৎক্ষণিক জামিন প্রার্থনা করেন, আদালত তাকে আপিল করার জন্য সময় দিয়ে জামিন দিতে পারেন।

কারণ টাকা জমা দেওয়ার শর্ত আপিল করার মৌলিক অধিকারের প্রতিবন্ধক হতে পারে, যা সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

#রিট ও হাইকোর্টে জামিনের সুযোগ:
যদি বিচারিক আদালতের রায়ে গুরুতর আইনি ত্রুটি থাকে, তাহলে আসামি উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে রিট শুনানির সময় আদালত ৫০% টাকা জমা দেওয়ার শর্ত শিথিল বা স্থগিত করার নির্দেশ দেন।

এছাড়া বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের পর যদি আপিল আদালত জামিন না দেন, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জামিন আবেদন করা যায়।

হাইকোর্ট মামলার গুণাগুণ বিবেচনা করে অনেক সময় টাকা জমা দেওয়া ছাড়াই অন্তর্বর্তীকালীন জামিন প্রদান করতে পারেন।

আইনের যৌক্তিক ব্যাখ্যা
চেকের মামলায় ১৩৮এ ধারা এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ (২ক) ধারা একসাথে পড়লে স্পষ্ট বোঝা যায় যে—

৫০% টাকা জমা দেওয়া আপিল গ্রহণের শর্ত, জামিন পাওয়ার শর্ত নয়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে প্রণীত, আর চেকের মামলায় ১৩৮এ ধারা ২০০৬ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজন করা হয়েছে।

কিন্তু এই সংশোধনের মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ (২ক) ধারায় প্রদত্ত জামিনের সুবিধা রহিত করা হয়নি। ফলে আইনগতভাবে সেই সুবিধা এখনও বহাল রয়েছে।

সুতরাং, সঠিক আইনি ভিত্তি ও যুক্তি উপস্থাপন করতে পারলে চেকের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ৫০% টাকা জমা দেওয়ার আগেই সাজা স্থগিত ও জামিন পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

এক্ষেত্রে প্রয়োজন দক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে যথাযথ আইনি গ্রাউন্ড উপস্থাপন করা।



06/03/2026

কারও বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করলে, উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভুল তথ্য দিয়ে কারও সুনাম নষ্ট করলে কিংবা মিথ্যা খবর প্রকাশ করে কাউকে হেয় করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা হিসেবে মানহানির মামলা করা যায়,

আপনি অপমানের শিকার হয়েছেন, কেউ আপনার মানহানি করেছে, আপনার সম্পর্কে আজেবাজে মন্তব্য করে বেড়াচ্ছে, কুৎসা রটনা করে বেড়াচ্ছে, ফেসবুকে, সংবাদপত্রে কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুৎসা রটনা করে আপনাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে চলেছেন? নো টেনশন। আপনি কুৎসা রটনাকারী ও অপমানকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেন কিংবা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারেন।
#মানহানিমামলা
মানহানির বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজধারি উভয় কার্যবিধিতে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আমাদের আইনি ব্যবস্থায় মানহানির ফৌজধারি মামলার প্রধান উৎস হলো ১৮৬০ সালে প্রণীত দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারা। দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক শব্দাবলি বা চিহ্নাদি বা দৃশ্যমান প্রতীকের সাহায্যে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এমনভাবে কোনো নিন্দা প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তাহলে ওই ব্যক্তির মানহানি হয়েছে মর্মে গণ্য হবে। এই ধারা অনুযায়ী মৃত ব্যক্তিরও মানহানি হতে পারে। মৃত ব্যক্তির আত্মীয়স্বজন মানহানির মামলা করতে পারবেন। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে। জনগণের কল্যাণে, সরকারি কর্মচারীর সরকারি কোনো কাজে তার আচরণ সম্বন্ধে সরল বিশ্বাসে কিছু বললে, আদালতের কার্যবিবরণী বা প্রতিবেদন প্রকাশ করলে, জনসমস্যা বিষয়ে বা কোনো ব্যক্তির আচরণ সম্বন্ধে সরল বিশ্বাসে কিছু বললে, গণ–অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করলে, সরল বিশ্বাসে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ দায়ের করলে এবং আদালতের সিদ্ধান্তে মামলার দোষ, গুণ নিয়ে সরল বিশ্বাসে কথা বললে মানহানি হবে না।
#মানহানিরসাজা
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির শাস্তি বর্ণনায় বলা হয়েছে, এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। অন্যদিকে দণ্ডবিধির ৫০১ ও ৫০২ ধারা অনুসারে, মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় মুদ্রণ বা খোদাইকরণ সম্পর্কে এবং এর শাস্তি বর্ণিত হয়েছে।

ইসরাত সাবরিন
এডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ চট্টগ্রাম


04/03/2026

#আত্মরক্ষারঅধিকার ( right of private defence) আত্মরক্ষা বা ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রত্যেকের জন্মগত অধিকার। একজন ব্যক্তি তার শরীর ও সম্পদের নিরাপত্তার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কোনো কাজ করলে তা আত্মরক্ষা বা ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অন্তর্ভুক্ত। এ কাজ করতে গিয়ে কারো কোনো ক্ষতি হলে আইনের চোখে অপরাধ না। আইনানুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার প্রয়োগকালে কোনো কাজ করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় না।

একজন ব্যক্তি তার শরীর ও সম্পদের নিরাপত্তার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কোনো কাজ করলে তা আত্মরক্ষার অন্তর্ভুক্ত। আইনানুযায়ী আত্মরক্ষা অধিকার প্রয়োগকালে কোনো কাজ করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় না।
দন্ডবিধি ১৮৬০ এ 'সাধারণ ব্যতিক্রম' ( general exception) পরিচ্ছেদে (৯৬-১০৬ নং ধারা) বর্ণিত বিশেষ ব্যক্তি অধিকার যা দ্বারা কেউ নিজের বা অপরের শরীরের আঘাত, অনিষ্ট, বা অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ প্রতিরোধে অথবা নিজের বা অপরের সম্পত্তি রক্ষার্থে বল প্রয়োগ করতে পারে। এই অধিকার প্রয়োগে অপরাধীর কোনো ক্ষতি হলে ৯৯ নং ধারা ব্যতিক্রম সাপেক্ষ তা আইনের চোখে অপরাধ বলে বিবেচিত হয় না। এখানে লক্ষ্যণীয় যে, ক্ষতিসাধনকারী কাজটি একটি অপরাধ হতে হবে। আইনের দৃষ্টিতে যদি অপরাধ না হয় তবে এ ধারায় অধিকার প্রয়োগ করা যাবে না।

আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার মূলত দণ্ডবিধির ৯৭ ধারায় বর্ণিত, যা নিজের ও অপরের শরীর এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তিকে চুরি, দস্যুতা, অনিষ্টসাধন বা অনধিকার প্রবেশের মতো অপরাধ থেকে রক্ষা করার অধিকার দেয়, এবং ৯৬ ধারা অনুযায়ী এই অধিকার প্রয়োগের ফলে কোনো অপরাধ হয় না, যতক্ষণ না তা অতিরিক্ত বল প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিশোধে পরিণত হয় (দণ্ডবিধি ৯৯ ধারা অনুযায়ী)।
মূল ধারাগুলো:
ধারা ৯৬: আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করলে কোনো অপরাধ হয় না (কিন্তু তা অবশ্যই সীমিত হতে হবে)।
ধারা ৯৭: নিজের ও অন্যের শরীর এবং সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার (যেমন: চুরি, দস্যুতা থেকে)।
ধারা ৯৮: অপ্রকৃতস্থ বা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষা।
ধারা ৯৯: আত্মরক্ষার অধিকারের সীমা নির্ধারণ, যেখানে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা যাবে না (যেমন: মৃত্যু অনিবার্য না হলে)।
সংক্ষেপে: আপনি যখন নিজের বা অন্যের জীবন, স্বাস্থ্য বা সম্পদ বিপন্ন দেখে আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ করেন, তখন তা আত্মরক্ষা হিসেবে গণ্য হয় এবং এর ভিত্তি হলো দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা।
পেনাল কোডের ১০০ ধারা ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকারের আওতায় এমন কিছু পরিস্থিতি বর্ণনা করে, যেখানে আক্রমণকারীকে হত্যা করাও অপরাধ বলে গণ্য হয় না, যেমন - ধর্ষণের চেষ্টা, গুরুতর আঘাতের চেষ্টা, অপহরণ, বা এমন আক্রমণ যেখানে যুক্তিসঙ্গতভাবে আশঙ্কা করা যায় যে গুরুতর আঘাত বা মৃত্যু হতে পারে; অন্যদিকে, ১০৪ ধারা বলে যে, যদি অপরাধটি theft (চুরি), mischief (ক্ষতিকর কাজ), বা criminal trespass (অপরাধমূলক প্রবেশ) হয় এবং যা ধারা ১০০-তে উল্লেখিত গুরুতর অপরাধের তালিকায় না পড়ে, তবে সেখানে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু ঘটানো গেলেও তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যতক্ষণ না সেই অপরাধের ফলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের আশঙ্কা থাকে।
#কখনআত্মরক্ষারঅধিকারপ্রয়োগেমৃত্যুঘটানোযায়
ধারা ১০০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত অপরাধগুলো করা হয়, তবে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে আক্রমণকারীকে হত্যা করা গেলেও তা অপরাধ হবে না (ধারা ৯৯-এর শর্তসাপেক্ষে):
ধর্ষণ: ধর্ষণের চেষ্টা বা ধর্ষণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
অসৎ উদ্দেশ্য: কোন ব্যক্তির সাথে অসৎ উদ্দেশ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা।
গুরুতর আঘাত: গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
অপহরণ: অপহরণ বা অপহরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
অন্যায় আটক: অন্যায়ভাবে আটকে রাখা, যেখানে যুক্তিসঙ্গতভাবে মনে করা যায় যে মুক্তি পাওয়া যাবে না।
অসৎ কাজ: অ্যাসিড নিক্ষেপের মতো গুরুতর ক্ষতিকর কাজ করার চেষ্টা।
: কখন আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে গুরুতর আঘাত বা মৃত্যু ঘটানো যায় (ধারা ১০০-এর ব্যতিক্রম)
ধারা ১০৪ অনুযায়ী, যদি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের কারণটি এমন হয় যা ধারা ১০০-তে উল্লেখিত গুরুতর অপরাধের তালিকায় পড়ে না, যেমন - সাধারণ চুরি (theft), ক্ষতি (mischief), বা অপরাধমূলক প্রবেশ (criminal trespass), সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র সেই অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করা যাবে। যদি সেই পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু ঘটানোও হয়, তবুও তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত অপরাধটি ধারা ১০০-তে বর্ণিত গুরুতর অপরাধের পর্যায়ে না পড়ে।
মূল পার্থক্য:
ধারা ১০০: এটি নির্ধারণ করে কোন পরিস্থিতিতে মৃত্যু ঘটানো বৈধ।
ধারা ১০৪: এটি নির্ধারণ করে কোন পরিস্থিতিতে (ধারা ১০০-এর বাইরে) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যু ঘটানো বৈধ, যদি তা সাধারণ অপরাধের (যেমন চুরি) প্রতিরোধের জন্য হয়।
সংক্ষেপে: ধারা ১০০ এবং ১০৪ উভয়ই ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার সম্পর্কিত। ধারা ১০০ নির্দিষ্ট গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানোর অধিকার দেয়, আর ধারা ১০৪ অন্যান্য সাধারণ অপরাধের ক্ষেত্রেও মৃত্যু ঘটানোকে বৈধতা দেয়, যদি পরিস্থিতি তেমন হয়।

01/03/2026

গ্রেফতারী পরোয়ানা কি.....

ফৌজদারী কার্যবিধি ধারা ৭৫/১) মতে, কোন ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত করার লক্ষে আদালত কর্তৃক জারীকৃত লিখিত আদেশ, যা প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক বা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের ক্ষেত্রে, বেঞ্চ সহকারি যেকোন সদস্য কর্তৃক স্বাক্ষর কৃত এবং আদালতের সীলমোহরকৃত যে আদেশনামা দেওয়া হয় তাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা বলে।
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭৫/২ অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রেফতারী পরোয়ানা ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত প্রদানকারী আদালত কর্তৃক উক্ত পরোয়ানা বাতিল বা অকার্যকর করা না হয়।


Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Ishrat Shabrin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share