সানজিক আকবর

সানজিক আকবর Advocate,
Bangladesh Supreme Court & Judges Court, Chittagong. Additional PP,
District Judges Court. Chittagong. Panel lawyer,
Chittagong City Corporation.

18/07/2025

"আপনার নামে মিথ্যা মামলা হলে আপনি কী করবেন?"

আজকাল অনেক মানুষ অন্যায়ভাবে লাভবান হতে কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অন্যের নামে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করছে।

তবে আপনি কি জানেন—
আপনার নামে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা মামলা করলে, আপনি শুধু জামিন নিতে পারবেন না—আপনি আইনের মাধ্যমেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

📚 দণ্ডবিধি ২১১ ধারা অনুযায়ী,
কেউ মিথ্যা অভিযোগ করে যদি আপনাকে ফাঁসাতে চায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিযোগ্য অপরাধে মামলা করা যায়।
সাজা হতে পারে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, এমনকি ক্ষতিপূরণ দাবি করার সুযোগও রয়েছে।

এছাড়াও বিশেষ কিছু আইনেও রয়েছে প্রতিকার। যেমন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এ আছে মিথ্যা মামলার জন্য ১৭ ধারা। যেখানে মিথ্যা মামলায় যে ধারায় করেছে সেই ধারায় যত সাজা ছিল সমপরিমাণ সাজা এই ধারায়।

যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ তে রয়েছে ১৪ ধারা। মিথ্যা প্রমান হলে নুন্যতম ছয়মাস সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল ও জরিমানা।

আপনি ন্যায়ের পথে থাকলে ভয় পাবেন না, আইন আপনার পাশে আছে।

সচেতন হোন, অন্যদেরও সচেতন করুন।

কমেন্টে লিখুন ‘জানতে চাই’—আমি আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিব।

মো. আলী আকবর সানজিক
এডভোকেট,
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও জজ কোর্ট চট্টগ্রাম।
এডিশনাল পিপি,
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চট্টগ্রাম।
প্যানেল আইনজীবী,
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
পাঠাগার সম্পাদক-২০২০,
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি।

আর নিয়মিত আইনি সচেতনতামূলক লেখা পেতে পেজটি এখনই ফলো করুন।

#মিথ্যামামলা #আইনজানুন #সানজিকআকবর #সানজিক_এন্ড_এসোসিয়েট #আইন

06/07/2025

ের_শিশু_কন্যাকে_ধর্ষণের_চেষ্টা_মামলা।
সাজা ৫ বছর। জরিমানা ১০ হাজার টাকা।
একটি সফল কেইস হিস্ট্রি
ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(৪)(খ)।

আট বছরের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া চুমকি (ছদ্মনাম) প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে সাড়ে ১০ টার মধ্যে বাসায় আসে। তার মা একজন গার্মেন্টস কর্মী আর বাবা একজন দিনমজুর। মা খুব ভোরে গার্মেন্টস এ চলে যায়। বাবা তার কাজে যাওয়ার পূর্বে চুমকিকে স্কুলে দিয়ে যায়। চুমকি একাকীই তার স্কুল থেকে আসতে অভ্যস্ত।
চুমকির এই যাতায়াত এক এলাকার মাসুদ (ছদ্মনাম) এক দোকানদারের নজরে আসে। মাসুদে কু দৃষ্টি পড়ে চুমকির দিকে। মাসুদকে চুমকি মামা ডাকে। মাসুদ সুযোগ খুঁজতে থাকে। প্রতিদিনের ন্যায় ঘটনার দিনে চুমকি স্কুল থেকে একাকী বাসায় ফিরছিল। দোকানদার মাসুদ চুমকিকে কিছু চকলেট ও চিপস কিনে দেয়। চুমকি সেগুলো নিয়ে বাসায় এসে সে প্রতিদিনের ন্যায় বিছানায় শুয়ে টিভি দেখতে থাকে। চুমকিদের এটা ভাড়া বাসা। সুযোগসন্ধানী দোকানদার সেদিন চুমকিদের বাসায় ঢুকে পড়ে সে বাসায় ঢুকেই দরজা বন্ধ করে দেয় চুমকির পাশে বসে বসে সেও চুমকির সাথে টিভি দেখে। একপর্যায়ে চুমকির ঘুম ঘুম ভাব আসে। চুমকি ঘুমিয়েছে কিনা মাসুদ নাড়াচাড়া দিয়ে দেখে। মাসুদের হাত লেগে চুমকির ঘুম ভাব কেটে গেলেও চুমকি চোখ বুজে থাকে। চুমকি দেখতে পায় চুমকির পড়নের কাপড় মাসুদ খুলে ফেলে। চুমকি বাধা দেয়। কিন্তু বাধা না শুনে মাসুদ ভয় দেখায়, আওয়াজ করলে মেরে ফেলবে বলে। চুমকির বাসায় থাকা তেলের বোতল থেকে তেল নিয়ে মাসুদ তার গোপন অঙ্গে লাগায়। এরপর চুমকির গোপনাঙ্গে গুতাগুতি করে (চুমকির ভাষ্য অনুযায়ী)। চুমকি ব্যথা পেলে একপর্যায়ে চুমকি চিৎকার করতে চায়। মাসুদ ভয় পেয়ে যায় পাশের ভাড়াঘরের কোন একজন লোকের শব্দ পেয়ে মাসুদ চুমকি কে ছেড়ে দেয়। যাওয়ার সময় চুমকি কি এই ঘটনা কাউকে বললে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে যায়। চুমকি এতে ভয়ে কাউকে কিছু বলে না।

পরদিন চুমকির প্রচন্ড জ্বর আসে। ওষুধ এনে দিলেও চুমকির জ্বর কমে না। চুমকি পুরুষ মানুষ দেখলেই ভয় পায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে চুমকির মা চুমকিকে গভীরভাবে জিজ্ঞাসা করলে চুমকি পুরো ঘটনাটি সে তার মাকে বলে। তার মা নগরীর ইপিজেড থানায় মামলা রুজু করে। থানা কর্তৃপক্ষ চুমকির বক্তব্য শুনে আসামিকে গ্রেফতার করে চুমকিকে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নিয়ে যায়, চুমকি ২২ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে। মামলা তদন্ত হয়। তদন্তে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। ইতিমধ্যে চুমকির ঘটনায় তার মায়ের দায়ের করা মামলাটিতে আসামী মাসুদ জামিন না পাওয়ায় মাসুদের স্ত্রী বাদী হয়ে তাকেও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে মর্মে মিথ্যা একটি অভিযোগ এনে চুমকির পিতার বিরুদ্ধে একই ধারায় বিজ্ঞ আদালতে একটি মিথ্যা মামলা রুজু করে। এই মামলাও তদন্ত হয়। তদন্তকারি অফিসার কে চুমকির ঘটনাটি গোপন করে যেকোন ভাবে তাকে ম্যানেজ করে সেই মামলায়ও চার্জশিট হাসিল করেন মাসুদের স্ত্রী।
উভয় মামলা যথারীতি বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়। বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-৫, চট্টগ্রামে মামলা দুইটি বিচারের জন্য বদলী হয়। একই থানার ঘটনা হওয়ায় উভয় মামলা-ই একই আদালতে বিচারের জন্য নির্ধারণ হয়। মামলা দুইটিতে যথারীতি সাক্ষী গ্রহণ করা হয়, সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মামলা দুটিতে যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয়।

চুমকির এই মামলা চলাকালীন সময়ে আসামিপক্ষ মামলার গুরুত্বপূর্ণ একজন সাক্ষী কে সাক্ষ্য প্রদান করতে বাধাগ্রস্ত করেছিলেন। ওই সাক্ষী আদালতে ছয়বার সাক্ষ্য প্রদান করতে এসেও সাক্ষী দিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এছাড়াও ২২ ধারার জবানবন্দী রেকর্ডকারী সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট এই মামলায় সাক্ষ্য প্রদান না করায় পরবর্তীতে আদালতে বিশেষ দরখাস্তের মাধ্যমে মামলাটি যুক্তিতর্ক শুনানি হতে সাক্ষ্য প্রদানের পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মামলাটি পুনরায় ৩৪২ ও যুক্তিতর্ক জন্য প্রেরণ করা হয়। অবশেষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত মামলা রায় ঘোষণার জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন।
আসামি পক্ষ কর্তৃক দায়েরী মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয় এবং ভিকটিম চুমকির মামলায় বিজ্ঞ আদালত ২২ ধরার জবানবন্দি সেই মর্মে বিজ্ঞ আদালতে তার সাক্ষী বাদী ও অন্যান্য সাক্ষীর স্বাক্ষ্য দ্বারা মামলাটির সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হলে আসামীর পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মামলাটি #সানজিক_এন্ড_এসোসিয়েট থেকে পরিচালিত হয়। মামলায় একজন শিশু নির্যাতনকারীকে শাস্তি নিশ্চিত করতে পেরে আমরা আদালতের প্রতি সন্তুষ্ট।

মোঃ আলী আকবর সানজিক
এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর,
১ম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত, চট্টগ্রাম।

=====হিংসা (হাসাদ)=====ইসলামে হিংসা (হাসাদ) অত্যন্ত নিন্দনীয় ও ধ্বংসাত্মক একটি গুনাহ। এই হিংসা হারাম ও মহাপাপ। এটাই আকা...
28/04/2025

=====হিংসা (হাসাদ)=====

ইসলামে হিংসা (হাসাদ) অত্যন্ত নিন্দনীয় ও ধ্বংসাত্মক একটি গুনাহ। এই হিংসা হারাম ও মহাপাপ। এটাই আকাশে কৃত সর্বপ্রথম গুনাহ এবং এটাই পৃথিবীতে কৃত সর্বপ্রথম গুনাহ। অর্থাৎ গুনাহের শুরুই হল হিংসা দিয়ে। আকাশে ইবলীস আদম আলাইহিস সালাম এর প্রতি এবং পৃথিবীতে আদমপুত্র তার ভাইয়ের প্রতি হিংসা করেছিল।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা পবিত্র কুরআন মাজিদে সূরা ফালাক্ব এ বলেন-
وَ مِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ

“বল, আমি আশ্রয় চাই... হিংসুকের হিংসা থেকে যখন সে হিংসা করে।”
-সূরা ফালাক, আয়াত ৫

হাদীস শরীফে এসেছে-
হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন:

“তোমরা একে অপরের প্রতি হিংসা করো না... আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও।”
(সহীহ মুসলিম)

অন্য বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ সাঃ
আরো বলেন:

“হিংসা ভালো কাজকে এমনভাবে ধ্বংস করে দেয়, যেমন আগুন কাঠকে জ্বালিয়ে ফেলে।”
(আবু দাউদ)

ইসলামের দৃষ্টিতে হিংসার পরিণতি:

১. হিংসা মানুষকে অসন্তুষ্ট রাখে—সে যা আছে তাতেও সন্তুষ্ট নয়।
২. হিংসা আত্মার মধ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেয়, মানসিক অশান্তির সৃষ্টি করে।
৩. এটি সামাজিক সম্পর্ক নষ্ট করে, দুনিয়া ও আখিরাত উভয় ক্ষতিই ডেকে আনে।

ইসলামের আলোকে হিংসার কিছু প্রতিকারঃ-

১. অন্তরে সন্তুষ্ট থাকা (রিযা) শেখা।
২. আল্লাহর দেয়া ভাগ্যকে মেনে নেওয়া।
৩. অন্যের ভালো দেখে দোয়া করার মনোভাব গড়ে তোলা।

আল্লাহ সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুক।

সানজিক
২৬ শে এপ্রিল ২০২৫ইং।

আইনজীবী হিসেবে ১৪ বছরে পদার্পণ আলহামদুলিল্লাহ....
15/12/2023

আইনজীবী হিসেবে ১৪ বছরে পদার্পণ আলহামদুলিল্লাহ....

29/06/2023

কুরবানির ঈদে প্রত্যেক ঘরে এমন একজন থাকবে, যার সাথে কথা বলা যাবে না।
কথা বললেই বকা শুনতে হবে🥴!

02/06/2023
ইদানীং Got married স্ট্যাটাস দেখলেই প্রথমে খুব কেয়ারফুলি বানান করি এটা কি আসলেই married নাকি marril?ছেলেরা আজকাল বেশিই ফ...
19/05/2023

ইদানীং Got married স্ট্যাটাস দেখলেই প্রথমে খুব কেয়ারফুলি বানান করি এটা কি আসলেই married নাকি marril?
ছেলেরা আজকাল বেশিই ফাজিল🤣🤣

আমাকে এরা বেশ কয়েকবার শার্ট প্যান্ট ভিজাই দিছে...
10/05/2023

আমাকে এরা বেশ কয়েকবার শার্ট প্যান্ট ভিজাই দিছে...

আর কারো হয় এমন?
08/05/2023

আর কারো হয় এমন?

Address

328, Shapla Bhaban, Court Hill, Kotwali
Chittagong
4000

Telephone

+8801670929296

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সানজিক আকবর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সানজিক আকবর:

Share