06/12/2025
কুকুর আপনার পেছনে ঘেউ ঘেউ করে, আপনি পথ চলা থামাবেন না। বুদ্ধিমান হলে কখনোই করবেন না। কেউ আপনার সমালোচনা করছে, এটা নিয়ে এত মাতামাতি করার কিছু নেই, আমি অন্তত আমলে নেই না। কিছু লোক দেখি সামান্য কিছুতে এত অস্থির হয়, উল্টাপাল্টা সিদ্ধান্ত নেয় তাতে পরে নিজেকেই পস্তাতে হয়। কিছু লোকের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেছি। কারণ, আপনি সুসময়ে পাশে থাকবে, দুঃসময়ে আপনি স্টাইল করে কথা বলবেন, এটা হবে না।
আমি একবার ক্রোয়েশিয়ার পারমিট বাবদ ৫৪ লাখ পাঠালাম। পরবর্তীতে দেখলাম মোবাইল বন্ধ, হোয়টসএপ অফলাইন। প্রায় সাত দিন আমি একবারের জন্যও চিন্তা করিনি আসলে কি হচ্ছে। পরে আরেক নাম্বার থেকে ফোন পেলাম। পরিচয় দিয়ে বললো, ভাই আমার আগের নাম্বারটি বাদ হয়ে গেছে। মোবাইল হারানোর পরে সিম নিতে পারছি না। এটাতে কমিনিকেট করবেন। পরে কাজ তো চললো।
কি বুঝলেন ? সন্দেহ করতে, ভয় পেতে কোনো কারণ লাগে না। পাছায় গুরা কৃমি থাকলেই হয়। একবার এক ভদ্রলোক আমাকে ইনবক্সে বললো, আমাকে ফাইল দিতে চায় কিন্তু সে তার নাম পরিচয় বলতে নারাজ। দিলাম ব্লক করে। আবারও সেম নামে একাউন্ট খুলে সেই পুরনো প্রস্তাব। সেটাও ব্লক দিলাম। এরপরে শুনি সে আমার যাত্রীদের নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপ খুলে মন মতো স্টেটাস দেয়। লোকদের জানায় আমরা কিভাবে প্রতারণা করছি হেনতেন।
একদিন আমার এক এজেন্ট সেই গ্রুপের একটি বড় স্টেটাস দিয়ে মতামত জানতে চাইলো। সাথে সাথে তার এজেন্টশীপ ক্লোজ করে সিস্টেম থেকে ব্লক করে দিয়ে বললাম আপনার মতো ছাগল আমার এজেন্ট হতে পারে না। যেসব ছাগলরা ঐসব গ্রুপে যায় তাদের ভিসা করানোর দায়িত্ব আমার না। আরে ছাগলেরা যে আমার যাত্রীই না, আমার সম্পর্কে তার নুন্যতম ধারণা নাই, তার স্টেটাস পড়ে রাতে ঘুমাতে পারিস না। তোকে তো কবেই অফার করছি টাকা নিয়ে বিদায় হ। তাহলে পেরেশানী কিসের ?
এভাবে যতজন পেয়েছি, সবগুলোর ফাইল সাসপেন্ড করে দিয়েছি। যে লোক আমার যাত্রী পরিচয় দেয় কিন্তু পাসপোর্ট নাম্বার জিটিএমসির সার্ভার থেকে স্টেটাস শো করতে পারে না, তার পরামশে রাত দিন হাহুতাশ করা ছাগলগুলো সার্বিয়া গেলে ল্যাদাবে, দেশের ক্ষতি করবে। এ জন্য গণহারে তাদের ফাইল সাসপেন্ড করছি। আমার তো আর লাখ টাকার লোকসান হচ্ছে না।
মজার বিষয় হলো, যেটা আমি জানি না সেটাও তারা জানে। এরকম এক গ্রুপ এডমিন এক বাটপার চাঁদপুর আসছে আমার সাথে দেখা করতে। মোবাইল বাড়িতে রেখে আসছে। বলে আমি বাটন ফোন ব্যবহার করি। ঢাকাতে সে কি করে সেটা জানা কি আমার জন্য বেশি কষ্টের নাকি ? কারণ, স্মার্ট ফোনে তার আকাম ধরা পরতো। আমি তো তাদের প্রত্যেকের আইপি সংরক্ষণ করি। এটা তারা বুঝার মতো জ্ঞানও রাখে না। অতএব, যেসব লোকজন আমার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না তারা দ্রুত পেমেন্ট নিয়ে বিদায় হবেন। ইনশাআল্লাহ, সর্বোচ্চ সাত কর্ম দিবসের ভিতরেই আপনার একাউন্টে পেমেন্ট যাবে।
আরেকটা কথা বলি। আমি আইনি স্টেপ নেই না কারণ আমার সাকসেস হিস্টোরী ক্রিয়েট হয়নি। হওয়ার সাথে সাথে চারটি থানায় লাগাতার মামলা হবে ইনশাআল্লাহ। সকল স্ক্রিনসর্ট, পযালোচনা, সার্বিয়ান গ্রুপ পোষ্ট সব আপডেট করা শেষ। একটি গ্রুপের এডমিনকে জিজ্ঞেস করছিলাম এটা কে পোষ্ট করছে। সে বলে, এটা বলা যাবে না। যখন তার বাড়ি ঘরের ঠিকানা বললাম। তখন আস্তে করে স্ক্রিনসর্ট দিয়ে পোষ্টদাতার নাম, আইডি দিয়ে দিলো অতএব, অনেকের বাড়ি পর্যন্ত আমি পৌছতে পারি। কেবল অপেক্ষা সাকসেস হিস্টোরীর। এরপরে দেখবা কত ধানে কত চাল। আর মাত্র এক সপ্তাহ ইনশাআল্লাহ।