Advocate Abdul kader khan

Advocate Abdul kader khan Lawyer and law firm. For Law Related any Information and query, contact with us.

যৌতুকের মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তি:
10/08/2026

যৌতুকের মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তি:

এইবার দুজনেরই খবর আছে 😗
04/08/2026

এইবার দুজনেরই খবর আছে 😗

আজ মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বিলটি সংসদে তোলেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদ...
24/06/2026

আজ মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বিলটি সংসদে তোলেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলে বিভিন্ন ধরনের জুয়ার সংজ্ঞার পাশাপাশি দণ্ডের উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে দুই বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কেউ অনলাইন বেটিংয়ে সম্পৃক্ত হলে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংয়ের সাজা হবে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট ১৮৬৭ দেড় শ বছরের বেশি পুরোনো একটি আইন। সংবিধানের ১৮(২) অনুচ্ছেদে জুয়া নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নীতির কথা বলা আছে। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মাঠপর্যায়ে আইনটি অধিকতর কার্যকরভাবে প্রয়োগের জন্য দণ্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে যুগোপযোগী করে সংশোধনের প্রস্তাব পাওয়া যায়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ যুগের অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চ্যুয়াল ক্যাসিনো, ক্রিপ্টোকারেন্সিভিত্তিক জুয়া, ভুয়া সিম ও ডিজিটাল আর্থিক জালিয়াতি প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনটি অপর্যাপ্ত। অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম, ভিপিএন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভুয়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট, বায়োমেট্রিক জালিয়াতি ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সংঘটিত জুয়া, অর্থ পাচার ও প্রতারণা বাংলাদেশের সামাজিক শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জননিরাপত্তা ও তরুণসমাজের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সময়ের পরিবর্তনে জুয়ার বিস্তারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ হয়েছে। জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রবণতা হ্রাস, আর্থিক সামাজিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধকল্পে এবং রাষ্ট্রের সার্বিক নৈতিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে সমন্বিত ও যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজন।

Take a look at what someone created with ChatGPT.

✒️✒️মামলা থাকলে কি চাকুরী হয়?বর্তমানে, সরকারী, আধা-সরকারী সহ বিভিন্ন ব্যাংকের চাকুরিতে চূড়ান্ত নিয়োগের পূর্বে শক্ত-পোক্ত...
19/06/2026

✒️✒️মামলা থাকলে কি চাকুরী হয়?

বর্তমানে, সরকারী, আধা-সরকারী সহ বিভিন্ন ব্যাংকের চাকুরিতে চূড়ান্ত নিয়োগের পূর্বে শক্ত-পোক্ত পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়। কোন কোন সরকারী চাকুরীতে ৩ স্তর বিশিষ্ট ভেরিফিকেশন করা হয় পুলিশ, এসবি এবং এনএসআই এর স্বমন্বয়ে। দূর্ভাগ্য বশতঃ আপনি যদি কোন ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত হয়ে থাকেন সে ক্ষেত্রে হাতে পেয়েও হাত ছাড়া হতে পারে চাকুরী নামের সোনার হরিণ। তবে, মামলা থাকলেই চাকুরী হবেনা এটা একটা ভুল ধারনা। চাকুরীতে প্রবেশে মামলা কোন বাধা কিনা সেটা প্রথমত মামলার ধরনের উপর নির্ভর করে।
আসুন সে বিষয়ে আমরা বিস্তারিত জানি:

🔖কোন মামলা চাকুরীর পথে বাঁধা নয়?

আপনার নামে যদি কোন দেওয়ানী মামলা থাকে তবে চাকুরীতে এর কোন প্রভাব পড়বে না। দেওয়ানী মামলা বলতে সহজে বুঝি সেসব মামলাকে যেখানে কোন অধিকার, পদ-পদবী বা জমি-জমার বিষয় জড়িত থাকে। তবে টর্ট এর মামলা দেওয়ানী ও ফৌজদারী উভয় প্রকৃতির। যেমন, মানহানির মামলা। কিছু কিছু চাকুরীতে দেওয়ানী আদালত কর্তৃক দেওলীয়া বা ঋণখেলাপী হিসাবে চিহ্নিত হইলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

🔖 যে মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত হলে চাকরি হয়না :

মুলত ফৌজদারী প্রকৃতির মামলাই হচ্ছে চাকুরীর জন্য অভিশপ্ত । ফৌজদারী মামলা বলতে এক কথায় বুঝি সেসব মামলাকে যে মামলা দায়ের হয় অপরাধবৃত্তির বিচারের স্বার্থে। যেমন, চুরি, ডাকাতি, হত্যা, রাহাজানি, অপহরণ, ধর্ষন সহ বিভিন্ন গণশান্তি বিরোধী অপরাধ সমূহ। এসব মামলার পরিধি এতই বিস্তৃত যে লিখে শেষ করা যাবে না। প্রতিনিয়ত এই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সব অপরাধ! ফোজদারী মামলায় অপরাধের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে ১৮৬০ সনের দন্ডবিধি আইনকে অনুসরণ করা হয় । তথ্য প্রযুক্তি আইন, সন্ত্রাস দমন আইন, মাদক আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ইত্যাদি আইন সমূহ ফৌজদারী অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে দিন দিন নতুনত্ব দিচ্ছে। অনেক আইন বিশারদ সহজে বলেন যে, যে সব অপরাধের জন্য বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৫৩ ধারায় ফৌজদারী আদালত সাজা দিতে পারে তাই ফৌজদারি মামলা। এসব অপরাধে বর্ণিত ধারায় ৫ প্রকার শাস্তির বিধান আছে। যেমন:

১। মৃত্যুদন্ড
২। যাবজ্জীবন কারাবাস
৩। কারাবাস ( সশ্রম/ বিনাশ্রম)
৪। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরন
৫। অর্থদন্ড

🔖🔖চলমান বা বিচারাধীন মামলার ক্ষেত্রে চাকুরি:
আইন আদালত যে সূত্রের উপর নির্ভর করে চলে তার একটা হচ্ছে
“ All person are innocent unless proven guilty” অর্থাৎ স্বাক্ষ্য প্রমাণে দোষী ঘোষিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সব আসামীই নির্দোষ। সুতরাং, আইনসম্মত ভাবেই স্বাক্ষ্য প্রমাণে দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগে চাকুরীতে মামলার কোন প্রভাব পড়বেনা।
কিন্তুু বর্তমান বাস্তবতার প্রতিফলন ভিন্ন দেখতে পাই। মামলার PCPR ডিজিটাল হওয়ায় কারো বিরুদ্ধে কোন মামলা থাকলে সহজেই তা ট্র্যাক করে ফেলে পুলিশ। ভেরফিকেশন রিপোর্টে মামলা আছে মর্মে পুলিশ কর্তৃক রিপোর্ট প্রদান করা হলে, কর্তৃপক্ষ মামলা ও অপরাধের ধরন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রস্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিয়োগদানের জটিলতা ও শূণ্যপদে পুণঃ নিয়োগ এবং আর্থিক অপচয় রোধের কথা চিন্তা করে মামলা জড়িত ত্রুটিপূর্ণ প্রার্থী নিয়োগে অনীহা প্রকাশ করে।

✅নিষ্পত্তিকৃত মামলায় চাকুরী:
ফৌজদারী মামলা মূলত ২ ভাবে নিষ্পত্তি হয়ে থাকে যেমন,

১। অব্যহতির মাধ্যমে:
পুলিশ চার্জশিট দাখিলের সময় যদি আপনাকে নির্দোষ মর্মে রিপোর্ট দাখিল করে এবং আদালত সে রিপোর্ট গ্রহণ করে তাহলে আপনার বিরুদ্ধে মামলা এখানেই শেষ। আবার বাদী কর্তৃক যদি মামলা প্রত্যাহার করা হয় তাহলেও আসামী অব্যহতি পাবে। অব্যহতি যে ভাবেই হোক, অব্যহতি পেলে চাকুরীতে কোন সমস্যই হবেনা।

২। রায়ের মাধ্যমে :
যখন আদালত স্বাক্ষ্য প্রমান বিবেচনা করে কোন আসামীকে রায়ে খালাস প্রদান করেন তখন ধরে নেয়া হয়, যেন তাহার নামে অতীতে কোন মামলাই ছিলনা। খালাস প্রাপ্ত হলে চাকুরী নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারন নেই।
যদি রায়ে আপনার সাজা হয় তাহলে চিন্তার রাজ্যে আপনিও রাজা হবেন নিশ্চিত! তবুও আশার বাণী আছে, কিছু কিছু চাকুরীতে উল্লেখ থাকে যে “ আদালত কতৃর্ক সাজা প্রাপ্ত হলে এবং সাজার পর ১ বছর/২বছর/৩ বছর অতিবাহিত না হলে”। সেক্ষেত্রে প্রাপ্ত সাজা এবং পরবর্তী নির্দিষ্ট সময় পর আপনার সাজার বিষয়টা চাকুরীতে আর প্রভাব ফেলবেনা।

✅অব্যহতি ও খালাসের পর করণীয় :
কারো নামে মামলা হলে তাহার স্থায়ী ঠিকানার থানাতে ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য অবশ্যই মামলার একটা নোট যায় আদালত হইতে। থানায় উক্ত রেকর্ড আজীবন সংরক্ষিত থাকে। যেহেতু পুলিশ ভেরিফকেশনও সংশ্লিষ্ট থানাতে হাওলা হয়ে থাকে তাই, আপনাকে আপনার নামে থাকা মামলার রেকর্ড ক্লিয়ার করতে অব্যহতি বা খালাস প্রাপ্তির পর আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের উক্ত আদেশের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করে থানায় জমা দিতে হবে। থানাকে আপনার মামলার অগ্রগতি জানানো আপনারই দ্বায়িত্ব, কেননা পুলিশ ভেরিফিকেশনে থানার এই রেকর্ডই হাইলাইট হয়।

📍📍মিথ্যা রিপোর্টে চাকরী না পেলে প্রতিকার:
যদি আপনার বিরুদ্ধে মামলা না থাকার পরও মামলা জড়িত উল্লেখ করে রিপোর্ট দেয়া হয় অথবা খালাস বা অব্যহতি পাওয়ার পরেও আপনাকে অভিযুক্ত উল্লেখ করা হয় তাহলে আপনার জন্য আইনগত ৩টি প্রতিকার রয়েছে। যেমন:

১। ভিন্ন সংস্থাকে দিয়ে পুণ:ভেরিফিকেশনের আবেদন করা।
২। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।
৩। মহামাণ্য হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন দায়ের করতে পারবেন।

উপরোক্ত বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক কোন হয়রানির শিকার হলে দন্ডিবিধির ১৬১ ধারার অধীন ঘুষ, মিথ্য অভিযোগ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য সরাসরি স্পেশাল জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।

🖋️
Adv Abdul Kader Khan
এডভোকেট,
দেওয়ানী ও ফৌজদারি আদালত,
জজ কোর্ট, চাঁদপুর।
সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর,
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, চাঁদপুর।
আইনী পরামর্শের জন্য যোগাযোগ:
মোবাইল: 01715-426451
চেম্বার: স্টার ল' হাউজ, চেয়ারম্যান ঘাট, চাঁদপুর।

অবৈধ ভাবে জমি দখলে রাখলে আপনার করনীয়ঃ অন্য কেউ যদি অবৈধভাবে আপনার জমি দখল করে রাখে, তাহলে এটি একটি গুরুতর আইনগত অপরাধ।এই...
16/06/2026

অবৈধ ভাবে জমি দখলে রাখলে আপনার করনীয়ঃ

অন্য কেউ যদি অবৈধভাবে আপনার জমি দখল করে রাখে, তাহলে এটি একটি গুরুতর আইনগত অপরাধ।
এই অবস্থায় কী করবেন, ধাপে ধাপে নিচে ব্যাখ্যা করছি 👇

---

⚖️ ১. প্রমাণ সংগ্রহ করুন:

প্রথমেই আপনাকে জমির মালিকানা ও দখল প্রমাণের সব কাগজপত্র ঠিক রাখতে হবে।
যেমনঃ

মূল দলিল (Sale Deed)

খতিয়ান ও দাখিলা

নামজারি সনদ (Mutation Certificate)

ভূমি পরিমাপের নকশা

খাজনার রশিদ

সাক্ষী বা পুরনো ছবি / ভিডিও, যদি থাকে

এই নথিগুলো পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপে প্রধান প্রমাণ হিসেবে কাজে আসবে।

---

🧭 ২. স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করুন:

প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে গ্রাম্যভাবে আলোচনা বা সালিশের মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করতে পারেন।
অনেক সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগনের (চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, ইউপি সদস্য) মধ্যস্থতা করে সমস্যা মিটিয়ে ফেলেন।

---

🏢 ৩. ভূমি অফিস বা থানায় অভিযোগ করুন

যদি দখলদার স্বেচ্ছায় জমি না ছাড়ে, তাহলে—

উপজেলা ভূমি অফিসে (AC Land) লিখিত অভিযোগ দিন।

প্রয়োজনে থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন যেন ভবিষ্যতে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সুবিধা হয়।

---

⚖️ ৪. আদালতে মামলা করুন

যদি দখল অব্যাহত থাকে, তাহলে আপনাকে আদালতে যেতে হবে।
দুটি সম্ভাব্য মামলা হতে পারে:

1. দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (Recovery of Possession)

2. অবৈধ দখলকারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা (Criminal Trespass / Section 441, Penal Code)

এগুলো করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাহায্য নিন।

প্রয়োজনেঃ
আবদুল কাদের খান
এডভোকেট
দেওয়ানী ও ফৌজদারি আদালত
জজ কোর্ট, চাঁদপুর।
মোবাইল: ০১৭১৫-৪২৬৪৫১

📐 ৫. জরিপ ও মাপজোক করান:

জমি আসলেই আপনার দখলে ছিল কিনা তা প্রমাণ করতে সরকারি সার্ভেয়ারের মাধ্যমে মাপজোক করানো জরুরি।

জরিপের রিপোর্ট আদালতে বা ভূমি অফিসে দাখিল করা যেতে পারে।

---

🚫 ৬. নিজে জোর করে দখল নিতে যাবেন না

নিজে গিয়ে জোর করে জমি দখল নেওয়ার চেষ্টা করবেন না — এতে উল্টো আপনার বিরুদ্ধেই মামলা হতে পারে।
সবকিছু আইনি প্রক্রিয়ায় করতে হবে।

---

📞 ৭. সহায়তার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO)

অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (ভূমি)

স্থানীয় ভূমি রেকর্ড অফিস (Tahsil Office)

আইনি সহায়তা কেন্দ্র (জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা - NLASO

Adv Abdul Kader Khan
Judge Court, chandpur.
01715-426451

10/04/2026

দলিল যার, জমি তার? নাকি রেকর্ড যার, জামি তার?—আইনের চোখে আসল মালিক কে? Adv Abdul Kader Khan ✅

অনেকেই মনে করেন, “আমার নামে খতিয়ান (রেকর্ড) আছে, তাই জমি আমার!”

আবার কেউ বলেন, “আমার কাছে দলিল আছে, সুতরাং মালিক আমি!”

👉 বাস্তবতা হলো—এই দুইটির কোনোটাই এককভাবে চূড়ান্ত মালিকানা প্রমাণ করে না।

📌 আইনের মূল নীতি কী বলে?
বাংলাদেশের প্রপার্টি আইনের অধীনে দলিল (Registered Deed) হলো মালিকানা হস্তান্তরের প্রধান দলিল। অর্থাৎ, বৈধভাবে নিবন্ধিত দলিল থাকলে সেটাই মালিকানার ভিত্তি তৈরি করে।

📌 তাহলে রেকর্ড (খতিয়ান) কী?

রেকর্ড বা খতিয়ান হলো সরকারি রেভিনিউ রেকর্ড, যা মূলত জমির দখল ও কর প্রদানের তথ্য বহন করে।

👉 এটি “presumptive evidence” মাত্র—চূড়ান্ত মালিকানার প্রমাণ নয়।

✅আদালতের অবস্থান (Judicial View):

বাংলাদেশের উচ্চ আদালত বারবার বলেছেন—
➡️ “Title flows from valid document, not merely from record.”

📌 সহজ ভাষায় বুঝুন:
✅দলিল = মালিকানা সৃষ্টির ভিত্তি
✅রেকর্ড = সহায়ক প্রমাণ (supporting evidence)

🚨 সতর্কতা:
শুধুমাত্র খতিয়ান দেখে জমি কিনলে বিপদে পড়তে পারেন!

আবার দলিল থাকলেও যদি সেটি ভুয়া বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তবুও মালিকানা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

🔍 তাই জমি কেনার আগে অবশ্যই চেক করুন:
✅ মূল দলিল ও পূর্ববর্তী দলিলসমূহ (Chain of Title)
✅ খতিয়ান ও দাগ নম্বর
✅ দখল পরিস্থিতি
✅ কোন মামলা-মোকদ্দমা আছে কিনা

👉 “দলিল + রেকর্ড + দখল”—এই তিনটির সমন্বয়েই নিরাপদ মালিকানা নিশ্চিত হয়।

আপনি কি শুধু রেকর্ড দেখে জমি কিনেছেন? নাকি দলিল যাচাই করেছেন? আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে জানান 👇

আবদুল কাদের খান
অ্যাডভোকেট
দেওয়ানী ও ফৌজদারি আদালত
জজ কোর্ট, চাঁদপুর।
Star law house, Chairman ghat, Chandpur.
01715-426451 (WhatsApp)

#বাংলাদেশ #দলিল #খতিয়ান #আইনজীবী

09/04/2026

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২ পুলিশের মৃত্যুদন্ড, ২৮ আসামীর বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড।

Address

Star Law House, Chairman Ghat, G. T Road South
Chandpur
3600

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Abdul kader khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share