তালাশ মঠবাড়িয়া

তালাশ মঠবাড়িয়া "মঠবাড়িয়ার প্রতিটি কোণায় আপনার পাশে"
🤝তালাশ মঠবাড়িয়া🌐

মঠবাড়িয়া থানায় নতুন ওসির যোগদান: আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে দৃঢ় প্রত্যাশা।নিজস্ব প্রতিবেদক, মঠবাড়িয়া তালাশ মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর।ম...
19/04/2026

মঠবাড়িয়া থানায় নতুন ওসির যোগদান: আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে দৃঢ় প্রত্যাশা।

নিজস্ব প্রতিবেদক, মঠবাড়িয়া তালাশ মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর।

মঠবাড়িয়া থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোঃ রবিউল ইসলাম। সদ্য যোগদানকৃত এই কর্মকর্তার আগমনে মঠবাড়িয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

বর্ণাঢ্য বরণ ও শুভেচ্ছা,
যোগদানের পর থানার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। মঠবাড়িয়ার সচেতন নাগরিক সমাজ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নবাগত ওসি সাহেবকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানিয়ে শুভকামনা জানাচ্ছেন উপজেলার বাসিন্দারা।

জনসাধারণের প্রত্যাশা-
মঠবাড়িয়া একটি জনগুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হওয়ায় এখানকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকের বিস্তার রোধে নতুন ওসির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনরা। স্থানীয়দের প্রত্যাশা— তার সুযোগ্য নেতৃত্বে:
উপজেলার সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে।
থানায় আসা সেবাপ্রার্থীরা কোনো হয়রানি ছাড়াই দ্রুত সেবা পাবেন।
মাদক, জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগামীর পথচলা
নবাগত ওসি মোঃ রবিউল ইসলাম মঠবাড়িয়ার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। অপরাধমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ মঠবাড়িয়া বিনির্মাণে তিনি নিরলসভাবে কাজ করবেন বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
মঠবাড়িয়া তালাশ পরিবারের পক্ষ থেকে নবাগত অফিসার ইনচার্জের জন্য রইলো নিরন্তর শুভকামনা। আমরা আশা করি, আপনার কর্মকালে মঠবাড়িয়া উপজেলা হবে একটি আদর্শ ও নিরাপদ জনপদ।

19/04/2026
তুষখালীতে ভুয়া ডাক্তারের দৌরাত্ম্য: সার্টিফিকেট জালিয়াতি ও ভুল চিকিৎসায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য​নিজস্ব প্রতিবেদক, তালাশ মঠবাড়...
26/03/2026

তুষখালীতে ভুয়া ডাক্তারের দৌরাত্ম্য: সার্টিফিকেট জালিয়াতি ও ভুল চিকিৎসায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য
​নিজস্ব প্রতিবেদক, তালাশ মঠবাড়ীয়া | তুষখালী

​মঠবাড়ীয়া উপজেলার তুষখালী বাজারে ভুয়া এমএএফএস (মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট) সার্টিফিকেট ব্যবহার করে নিয়মিত চিকিৎসা ও প্রতারণা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মিলন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে সাধারণ রোগীদের সাথে প্রতারণা, ভুল চিকিৎসা এবং মাদক সেবনের মতো গুরুতর অভিযোগ এখন মুখে মুখে।

​ভুয়া সনদে ‘ডাক্তার’ পরিচয়
​অনুসন্ধানে জানা গেছে, কথিত এই চিকিৎসক মিলনের প্রকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতা দাখিল পর্যন্ত। অভিযোগ রয়েছে, তিনি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে একটি ভুয়া মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেছেন। এই জাল সনদকে পুঁজি করেই তিনি তুষখালী বাজারে সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে চেম্বার খুলে বসেছেন।

​ভুল চিকিৎসায় পঙ্গুত্ব ও জটিল রোগের ঝুঁকি
​স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, মিলনের দেওয়া ভুল চিকিৎসায় তারা বর্তমানে মারাত্মক সব শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। সুস্থ হওয়ার বদলে তাদের অবস্থা আরও অবনতির দিকে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত রোগীরা এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
​নকল ওষুধের কারবার ও মাদক সংশ্লিষ্টতা
​শুধুমাত্র ভুয়া চিকিৎসায় ক্ষান্ত নন মিলন। অভিযোগ রয়েছে, তার ও তার ভাইয়ের পরিচালিত ফার্মেসিতে নামি-দামি কোম্পানির মোড়কে নকল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি করা হয়। এছাড়া মিলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক সেবনের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির হাতে মানুষের জীবন কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে সাধারণ মানুষ এখন শঙ্কিত। এলাকাবাসীর দাবি, তার মাদক গ্রহণের পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী রয়েছে।

​প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
​ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল এই প্রতারকের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে খুব শীঘ্রই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং মঠবাড়ীয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

​সতর্কতা বার্তা:
গ্রামের সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হচ্ছে, যেকোনো হাতুড়ে বা ভুয়া ডাক্তার নামধারী প্রতারকদের কাছ থেকে চিকিৎসা নেওয়ার আগে তাদের ডিগ্রি ও বৈধতা সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজ নিন। আপনার জীবন ও স্বাস্থ্য অত্যন্ত মূল্যবান।
​এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য আসছে... চোখ রাখুন "তালাশ মঠবাড়ীয়া" এর পাতায়।

তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের ডাক। নিজস্ব প্রতিবেদক - মঠবাড়িয়া সম্প্রতি অষ্টম শ্রেণির এক মেধাবী স...
22/03/2026

তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের ডাক।
নিজস্ব প্রতিবেদক - মঠবাড়িয়া

সম্প্রতি অষ্টম শ্রেণির এক মেধাবী স্কুলছাত্রীর আত্মহনন অকাল প্রয়াণ আমাদের সমাজকে এক গভীর সঙ্কটের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনাগুলো স্মরণ করিয়ে দেয়—আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কতটা মানসিকভাবে বিপন্ন। এখন সময় এসেছে সম্মিলিতভাবে এই সমস্যা মোকাবিলা করার।

মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং তরুণ প্রজন্মের অবস্থা:
বিশেষজ্ঞ ও সচেতন মহলের মতে, স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা প্রতিনিয়ত পড়ালেখার চাপ, ভবিষ্যতের চিন্তা, একাকীত্ব এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাবের মতো বিভিন্ন কারণে মানসিক চাপের শিকার হচ্ছে। তাদের মাঝে ধৈর্য, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অভাব প্রকট হয়ে উঠছে। সামান্য কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা হারিয়ে তারা বিপথগামী হচ্ছে এবং চূড়ান্ত পরিণতি হচ্ছে আত্মহত্যা বা মাদকাসক্তি।

চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ ও হাহাকার:
পেশায় একজন চিকিৎসক হওয়ায় মানুষের 'নাড়ির খবর' রাখার পাশাপাশি 'হাড়ির খবর'ও (পারিবারিক ও মানসিক সমস্যা) তাকে শুনতে হয়। তার মতে, বর্তমানে টিনএজার থেকে শুরু করে মধ্যবয়সীদের বড় একটি অংশ মানসিকভাবে অস্থিতিশীল।

করণীয় এবং সমাজের ভূমিকা:এই বিপর্যয় রুখতে সরকার এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন:

১. কাউন্সেলিং সেন্টার: প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি হাসপাতালে বিশেষায়িত মানসিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং কাউন্সিলিং সেন্টার স্থাপন।
২. পারিবারিক সচেতনতা: অভিভাবকদের সন্তানদের সাথে দূরত্ব কমিয়ে তাদের কথা শোনার বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা।
৩. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা: ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে নিয়মিত মোটিভেশনাল স্পিচ বা জীবনমুখী আলোচনার মাধ্যমে তরুণদের মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করা।

অষ্টম শ্রেণির সেই ছোট্ট মেয়েটির অকাল মৃত্যু কেবল একটি পরিবারের বিচ্ছেদ নয়, বরং পুরো সমাজের জন্য এক রেড অ্যালার্ট। যার যায় সে-ই বোঝে বিচ্ছেদের যন্ত্রণা কতটা প্রকট। আর কোনো ‘মামনি’ যেন মানসিক যন্ত্রণার কাছে হেরে গিয়ে আত্মহননের পথ বেছে না নেয়। সময় থাকতেই সরকার, সমাজ ও প্রতিটি পরিবারকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে।

বলেশ্বরী নদী (Baleshwari River, বাংলায় বলেশ্বর নদী বা বলেশ্বরী নদী) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ন...
14/03/2026

বলেশ্বরী নদী (Baleshwari River, বাংলায় বলেশ্বর নদী বা বলেশ্বরী নদী) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। এটি সুন্দরবন এলাকার অংশ এবং গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা ডেল্টার অংশ। নদীটি মঠবাড়িয়া উপজেলা (পিরোজপুর জেলা)-সহ পিরোজপুর, বাগেরহাট ও বরগুনা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে প্রবাহিত।

মূল তথ্য
-দৈর্ঘ্য: ১৪৬ কিলোমিটার (৯১ মাইল)।
- গড় প্রস্থ: প্রায় ১৬৪৪ মিটার (কিছু অংশে আরও চওড়া)।

প্রকৃতি সর্পিলাকার (meandering), জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত (tidal river)।

- উৎস: কালীগঙ্গা নদী (Kaliganga River) থেকে উদ্ভূত।

মোহনা: হরিণঘাটা নদী (Haringhata River)-এর সাথে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।

অবস্থান-
- বাগেরহাট জেলার পূর্ব সীমান্ত এবং বরগুনা জেলার পশ্চিম সীমান্ত গঠন করে।
- পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ইত্যাদি এলাকা দিয়ে বয়ে যায়।
- পূর্ব প্রান্তে সুন্দরবন (বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন) অবস্থিত।

অন্যান্য নাম: কখনো Baleshwar River বা Baleswar River বলা হয়।

গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য-

পরিবেশগত: সুন্দরবনের অংশ হিসেবে এটি ম্যানগ্রোভ বন, জীববৈচিত্র্য (বিশেষ করে মাছ) এবং উপকূলীয় ইকোসিস্টেম রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। নদীতে প্রচুর মাছের প্রজনন হয় (যেমন: ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে সম্ভাবনা)।

অর্থনৈতিক: মৎস্য আহরণ, পরিবহন, কৃষি (সেচ), লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা। মঠবাড়িয়া ও পিরোজপুরের অনেক মানুষের জীবিকা নির্ভর করে এ নদীর উপর।

সাংস্কৃতিক/ঐতিহাসিক: দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নদী। লালদিয়া সমুদ্রসৈকত এর মোহনার কাছে অবস্থিত।

বর্তমান সমস্যা-
নাব্যতা হ্রাস: দখল, ভরাট, চর পড়া, শ্যাওলা-কচুরিপানায় ভরে যাওয়া — অনেক অংশে খালে পরিণত হচ্ছে (কোথাও প্রস্থ ৪০ হাতে নেমেছে)।

দূষণ ও দখল: পৌর এলাকায় দূষণ, অবৈধ দখল।
পরিবেশগত ঝুঁকি: জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বেশি (উপকূলীয় এলাকা)।

সমাধানের দাবি: খনন, সংরক্ষণ, প্রজনন ক্ষেত্র ঘোষণা (ইলিশের জন্য)।

ছবি/দৃশ্য-
নদীটির দৃশ্য সাধারণত সুন্দর — জোয়ার-ভাটায় পরিবর্তনশীল, সুন্দরবনের সবুজ, নৌকা, মাছ ধরা ইত্যাদি। পিরোজপুরের কাছে এটি শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যায়।

মঠবাড়িয়া উপজেলা (Mathbaria Upazila) বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের পিরোজপুর জেলার একটি প্রশাসনিক উপজেলা, যা বরিশাল বিভাগ এ অ...
14/03/2026

মঠবাড়িয়া উপজেলা (Mathbaria Upazila) বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের পিরোজপুর জেলার একটি প্রশাসনিক উপজেলা, যা বরিশাল বিভাগ এ অবস্থিত। এটি জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলাগুলোর একটি (আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে)। নিচে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো (সর্বশেষ আদমশুমারি ও অফিসিয়াল সোর্স থেকে):

ভৌগোলিক অবস্থান ও আয়তন
-আয়তন ৩৪৪.২৩ বর্গ কিলোমিটার (কিছু সোর্সে ৩৫৩.২৫ বর্গ কিমি উল্লেখ আছে)।
-
অবস্থান: ২২°০৯′ থেকে ২২°২৪′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°৫২′ থেকে ৯০°০৩′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

- সদর: মঠবাড়িয়া শহর (পৌরসভা)।
- সীমানা:
- উত্তর: পিরোজপুর সদর ও ভান্ডারিয়া উপজেলা।
- দক্ষিণ: পাথরঘাটা উপজেলা।
- পূর্ব: বামনা ও কাঁঠালিয়া উপজেলা।
- পশ্চিম: শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জ উপজেলা।

- প্রধান নদী- বলেশ্বরী (Baleshwari), কচা (Katcha), পোনা (Pona), বিশখালী ইত্যাদি। এলাকাটি নদীবেষ্টিত, নিচু ও উপকূলীয়, তাই ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি থাকে।

জনসংখ্যা (সর্বশেষ আদমশুমারি অনুসারে)
- ২০২২ আদমশুমারি প্রায় ২৭৭,৬২৭ জন (পুরুষ ~১৩১,৩৪২, মহিলা ~১৪৬,২৭২)।

- ২০১১ আদমশুমারি ২৬২,৮৪১ জন (পুরুষ ১২৮,৮৪৫, মহিলা ১৩৩,৯৯৬)।

- জনঘনত্ব প্রায় ৮০৭ জন/বর্গ কিমি।

- ধর্মভিত্তিক মুসলিম ~৯০.৭%, হিন্দু ~৯.৩%, অন্যান্য (বৌদ্ধ, খ্রিস্টান) খুব কম।

- শহর-গ্রাম: শহুরে ~১৫-৪২ হাজার, গ্রামীণ বেশিরভাগ।

প্রশাসনিক কাঠামো-

- ইউনিয়ন ১১টি (যেমন: আমরাগাছিয়া, গুলিশাখালী, তিকিকাটা, তুষখালী, দাউদখালী, ধানিসাফা, বড় মাছুয়া, বেতমর রাজপাড়া, মঠবাড়িয়া, মিরুখালী, সাপলেজা)।

- পৌরসভা ১টি (মঠবাড়িয়া পৌরসভা, ১৯৯৩ সালে গঠিত)।
- মৌজা: ৬৭টি।
- গ্রাম ৯৩-৯৪টি।

- থানা/উপজেলা গঠন: থানা ১৯০৪ সালে, উপজেলা ১৯৮১-১৯৮৩ সালে।

অর্থনীতি-
- প্রধান: কৃষি (৫৯-৬০% আয়) – ধান, গম, আখ, ডাল, সবজি।

মৎস্য অনেক পুকুর (৫০০+), বার্ষিক উৎপাদন ~৫,০০০ মেট্রিক টন।

পশুসম্পদ: গরু-মুরগির খামার।

অন্যান্য কুটিরশিল্প (তাঁত, বাঁশের কাজ, মাটির কাজ), ব্যবসা, মজুরি।

শিক্ষা-

সাক্ষরতার হার~৬৫-৮৫% (সাম্প্রতিক ~৮৫%)।

প্রতিষ্ঠান: কলেজ ৫টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩৫-৪৭টি, প্রাথমিক বিদ্যালয় ১১৫-১৯৫টি, মাদ্রাসা ১৮২টি।

উল্লেখযোগ্য কে.এম. লতিফ ইনস্টিটিউশন (১৯২৮), মঠবাড়িয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ।

স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো-
স্বাস্থ্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫০ বেড), ১২টি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।

যোগাযোগ: পাকা রাস্তা ~৩৯০ কিমি, অপাকা ~৪৬৫ কিমি, সেতু/কালভার্ট ৩৯টি।

অন্যান্য: হাট-বাজার ৩২টি, ব্যাংক ৯টি, পোস্ট অফিস ২৫টি।

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক-
ঐতিহ্য: সোনাখালী জমিদার বাড়ি, বুড়ির চর মোমিন মসজিদ, কুঠিবাড়ি।

মুক্তিযুদ্ধ: ১৯৭১-এ সক্রিয় অংশগ্রহণ, শহীদদের স্মৃতি।
প্রাকৃতিক নদী-নালা, মাছ ধরা, কৃষি-ভিত্তিক জীবন।

"ঈদের আনন্দ যেন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শেষ না হয়!ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে এই টিপসগুলো মেনে চলুন। প্রতি বছর ঈদে শত...
14/03/2026

"ঈদের আনন্দ যেন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শেষ না হয়!

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে এই টিপসগুলো মেনে চলুন। প্রতি বছর ঈদে শত শত প্রাণ যায় – আমরা সবাই সচেতন হলে এটা কমানো সম্ভব!

চালকদের জন্য টিপস:
গতি নিয়ন্ত্রণ করুন – সীমার মধ্যে চালান (মহাসড়কে ৮০-১০০ কিমি/ঘণ্টা সর্বোচ্চ)।

ওভারটেকিং করবেন না সরু সেতু, বাঁক বা ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায়।
ক্লান্তি বা ঘুম ঘুম ভাব এলে গাড়ি থামিয়ে বিশ্রাম নিন – ৪-৫ ঘণ্টা পর পর বিরতি দিন।

মদ/নেশা করে গাড়ি চালাবেন না – কঠোর নজরদারি চলছে।
গাড়ির ফিটনেস চেক করুন: ব্রেক, টায়ার, লাইট, সিগন্যাল সব ঠিক আছে কি না।

মোটরসাইকেল চালক/আরোহীদের জন্য:
অবশ্যই মানসম্মত হেলমেট পরুন (চালক + আরোহী উভয়ে)।
অতিরিক্ত যাত্রী নেবেন না, তিনজনের বেশি চালাবেন না।

যাত্রীদের জন্য:
চালককে স্পিড বাড়াতে চাপ দেবেন না।
বাস/ট্রাকের ছাদে বা অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে যাবেন না।
সিটবেল্ট/হেলমেট ব্যবহার করুন।
অপরিচিতের দেওয়া খাবার/পানীয় গ্রহণ করবেন না (ড্রাগিংয়ের ঝুঁকি)।
চলন্ত গাড়িতে ওঠার চেষ্টা করবেন না।

পথচারীদের জন্য:
রাস্তা পার হওয়ার সময় জেব্রা ক্রসিং বা ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করুন।
ফুটপাতে হাঁটুন, রাস্তায় না।
আপনার পরিবার-পরিজনকে শেয়ার করুন, সচেতন করুন। নিরাপদ ঈদযাত্রা করুন!
#নিরাপদযাত্রা #মঠবাড়িয়া #ঈদেরখবর

14/03/2026

"মসজিদের খাদেম/মুয়াজ্জিনের মানবেতর জীবন – সাহায্যের হাত বাড়ান।"

14/03/2026

"মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজি থেকে দূরে থাকুন – আমাদের যুবসমাজ রক্ষা করুন।"

Address

Mathbaria Upazila
Barishal
8560

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তালাশ মঠবাড়িয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share