Advocate Shabbir Shiddiky

Advocate Shabbir Shiddiky Your Trusted Partner In Legal Affairs. [email protected]

অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাব্বির সিদ্দিকী ল' হাউজ একঝাঁক তরুণ বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞ আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ল' হাউজ। আমরা মূলত ফৌজদারি, পারিবারিক, দেওয়ানি, কোম্পানি আইন এবং বিভিন্ন সরকারি লাইসেন্স পরিষেবা গুলো আপনার ব্যাবসার চাহিদা মোতাবেক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করে থাকি। আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম এর মাধ্যমে যেকোনো জটিল ব্যবসায়ীক সমস্যাগুলো সমাধান নিশ্চিত করি। আপনি যদি একটি নতুন ব্যবসা করার উদ্যোগ নিয়ে থাকেন ব

া আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চান তাহলে আমাদের অভিজ্ঞ টিম আপনাকে সকল আইনি কনসালটেন্সি সার্ভিস দিয়ে সহায়তা করবে। নির্ভরযোগ্য, স্বচ্ছ, এবং ক্লায়েন্ট-কেন্দ্রিক আইনি সহায়তার জন্য "অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাব্বির সিদ্দিকী ল' হাউজ" এর সহিত আলোচনা করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
আমাদের সেবা সমূহঃ
• ফৌজদারি মামলা দায়ের (Criminal Suit File)
• আসামী পক্ষে ডিফেন্স (Defense on behalf of accused)
• পারিবারিক মামলা, আপোষ - মীমাংসা, ক্ষতিপূরণ (Family Matter Suit, Arbitration, Compensation)
• রেকর্ড সংশোধন, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল (Rectification of Documents, Land Survey Tribunal)
• চেক প্রতারণা (Fraudulent of Check)
• স্বাক্ষীর জেরা (Cross Examination in Trial)
• কোম্পানি নিবন্ধন (𝐋𝐢𝐦𝐢𝐭𝐞𝐝 𝐂𝐨𝐦𝐩𝐚𝐧𝐲)
• যৌথ মালিকানাধীন ব্যবসা (Partnership Firm)
• ট্রেড লাইসেন্স-(𝐓𝐫𝐚𝐝𝐞 𝐋𝐢𝐜𝐞𝐧𝐬𝐞)
• টিন রেজিস্ট্রেশন (𝐈𝐧𝐜𝐨𝐦𝐞 𝐓𝐀𝐗 𝐑𝐞𝐠𝐢𝐬𝐭𝐫𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧)
• ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন (𝐕𝐀𝐓/𝐁𝐈𝐍 𝐑𝐞𝐠𝐢𝐬𝐭𝐫𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧)
• ভ্যাট-ট্যাক্স রিটার্ন (𝐌𝐨𝐧𝐭𝐡𝐥𝐲 𝐕𝐀𝐓/𝐁𝐈𝐍 𝐑𝐞𝐭𝐮𝐫𝐧) 𝐌𝐨𝐧𝐭𝐡𝐥𝐲 𝐕𝐀𝐓 𝐑𝐞𝐭𝐮𝐫𝐧 𝐒𝐞𝐫𝐯𝐢𝐜𝐞.
• কোম্পানি অডিট ও রিটার্ন সার্ভিস (𝐀𝐮𝐝𝐢𝐭 & 𝐑𝐞𝐭𝐮𝐫𝐧 𝐒𝐞𝐫𝐯𝐢𝐜𝐞)
• আমদানী-রপ্তানী নিবন্ধন-(𝐈𝐑𝐂-𝐄𝐑𝐂 𝐋𝐢𝐜𝐞𝐧𝐬𝐞)
• ট্রেড মার্ক নিবন্ধন (𝐓𝐫𝐚𝐝𝐞 𝐦𝐚𝐫𝐤 𝐑𝐞𝐠𝐢𝐬𝐭𝐫𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧)
• ফায়ার/কলকারখানা/পরিবেশ লাইসেন্স।
• (BSTI) এর অনুমোদন;
• সকল প্রকার L/C সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান
• সোসাইটি, ফাউন্ডেশন, ট্টেড অর্গানাইজেশনের নিবন্ধন.
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) নিবন্ধন ও অনুমোদন।
• বৈদেশিক বিনিয়োগের সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান;
• প্রতিষ্ঠান বা কারখানার লাইসেন্স;
• ট্রেড মার্ক (Trademark)
• চেম্বার অফ কমার্স এবং অন্যান্য এসোসিয়েশনের মেম্বারশিপ সম্পর্কে সেবা প্রদান করা হয়।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ
Advocate Syed Shabbir Shiddiky Law House,
2nd Floor, Annex Building, Barishal District Bar Association, Barishal, Bangladesh 🇧🇩
যোগাযোগ: +8801780818131,
+880191883316, Whatsapp +8801780818131.

Partnership Deed Stamp Duty – Bangladesh Compliance Perspective📢 বাংলাদেশে পার্টনারশিপ চুক্তিতে স্ট্যাম্প ডিউটি (মূলধন এ...
11/10/2025

Partnership Deed Stamp Duty – Bangladesh Compliance Perspective

📢 বাংলাদেশে পার্টনারশিপ চুক্তিতে স্ট্যাম্প ডিউটি (মূলধন এক লক্ষ টাকার উর্ধ্বে হলে):- বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু বা অংশীদারি ব্যবসা গঠন করার ক্ষেত্রে আর্থিক ও আইনি নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ এর বিধান (সংশোধিত ২০১৭-২০১৮) অনুযায়ী স্ট্যাম্প ডিউটি সংক্রান্ত বিষয়ে।

⚖️ স্ট্যাম্প ডিউটির পরিবর্তিত কাঠামো:- স্ট্যাম্প ডিউটির পরিমাণ নির্ধারিত হয় স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ (সংশোধিত ২০১৭-২০১৮) কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। বর্তমানে উচ্চ মূলধনের ফার্মগুলোর ক্ষেত্রে রাজস্ব কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে:

⊕ মূলধন (Capital Amount) এবং স্ট্যাম্প ডিউটি (Stamp Duty):-

1) মূলধন এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত হলে স্ট্যাম্প ডিউটি (পূর্বের হার) ছিলো BDT 2,000 টাকা।

2) মূলধন এক লক্ষ টাকার উর্ধ্বে (বর্তমান প্রচলিত হার) হলে স্ট্যাম্প ডিউটি BDT 4,000 টাকা।

🧾 পেশাদার মতামত ও আইনি বাস্তবতা: অংশীদারীত্ব ব্যবসায়ের চুক্তির (Deed for Partnership Business) জন্য পূর্বে মূলধন BDT 50,000 টাকার বেশি হলে স্ট্যাম্প ডিউটি BDT 2,000 নির্ধারিত ছিল, তবে নতুন সংশোধিত আইন অনুযায়ী স্ট্যাম্প ডিউটি BDT 4,000 নির্ধারণ করা হয়েছে যদি মূ্লধন ১ লক্ষ টাকার বেশি হয়। (The Stamp Duty Act 1899)

বর্তমানে এটিই অংশীদারীত্ব ব্যবসায়ের চুক্তির (Deed for Partnership Business) জন্য গৃহীত মানদণ্ড। এই হারের অনুসরণে দলিলটি আইনি ভাবে সঠিক, প্রবিধি অনুযায়ী বৈধ, এবং আদালতে গ্রহণযোগ্য হয়।

✪ অংশীদারীত্ব ব্যবসায়ের চুক্তির (Deed for Partnership Business) রেজিস্ট্রেশনের আগে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা অপরিহার্য:-

☞ বাধ্যতামূলক যাচাই: স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রার অফিস বা বিশ্বস্ত আইনি পরামর্শদাতার সঙ্গে পরামর্শ করে সর্বশেষ স্ট্যাম্প ডিউটি নিশ্চিত করুন, কারণ নিয়মের বাস্তবায়নে অঞ্চলভেদে ভিন্নতা থাকতে পারে।

☞ উচ্চ হারের প্রতি অঙ্গীকার: মূলধন BDT 100,000-এর বেশি হলে BDT 4,000 নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ, যা বাজারের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

⇨ যথাযথ স্ট্যাম্প ডিউটি প্রদানের মাধ্যমেই আপনার ব্যবসায়িক চুক্তির আইনি বৈধতা ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।

সংগ্রহে:-
∞ Adv Syed Shabbir Shiddiky
∞ Founder of Arab Law Hub- A Global Community

11/10/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

আলোচনা:মামলা দায়ের এবং পরিণতি(সবিস্তারে) বাংলাদেশে ফৌজদারি মামলার নিয়ম, বিধি ও প্রক্রিয়া বিভিন্ন আইনে ও ধারায় উল্লেখ রয়ে...
11/10/2024

আলোচনা:
মামলা দায়ের এবং পরিণতি
(সবিস্তারে)

বাংলাদেশে ফৌজদারি মামলার নিয়ম, বিধি ও প্রক্রিয়া বিভিন্ন আইনে ও ধারায় উল্লেখ রয়েছে। এই আইনের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি হলো
★ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Criminal Procedure Code, 1898 - CrPC) এবং
★ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860)।

নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা এবং আইনগুলো বর্ণনা করা হলো:

১. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Criminal Procedure Code, 1898 - CrPC)

এই আইনে থানায় এফআইআর দাখিল থেকে শুরু করে বিচার কার্যক্রম পর্যন্ত ফৌজদারি মামলার পুরো প্রক্রিয়া নির্ধারিত রয়েছে।

(ক) এফআইআর (FIR) এবং তদন্ত:

ধারা ১৫৪: এফআইআর (প্রাথমিক তথ্য বিবরণী) নথিভুক্ত করা সংক্রান্ত বিধান।

ধারা ১৫৫: অনধিকারযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে মামলা দায়ের সংক্রান্ত বিধান।

ধারা ১৫৬: পুলিশ কর্তৃক এফআইআর তদন্ত করার ক্ষমতা।

ধারা ১৬৭: তদন্তাধীন অবস্থায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ড বা জেল হাজতে প্রেরণ।

(খ) আদালতে মামলা দায়ের:

ধারা ১৯০: ফৌজদারি মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা। কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত কিভাবে মামলার অভিযোগ গ্রহণ করতে পারে তার বিধান।

ধারা ২০০: বাদী বা অভিযোগকারী কর্তৃক আদালতে অভিযোগ দাখিল করার পর তার জবানবন্দি নেওয়া।

ধারা ২০৪: প্রমাণ সাপেক্ষে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি।

(গ) অভিযোগপত্র/চার্জশিট এবং বিচার প্রক্রিয়া:

ধারা ১৭৩: তদন্ত শেষে পুলিশের রিপোর্ট (অভিযোগপত্র/চার্জশিট বা ফাইনাল রিপোর্ট) জমা দেওয়ার নিয়ম।

ধারা ২৪৪-২৫০: ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার কার্যক্রম কিভাবে সম্পন্ন হবে, এর বিস্তারিত।

© Advocate Shabbir Shiddiky Law Firm

With Hon'ble Sir Md. Monjurul Hossain (District & Session Judge Of Human Trafficking Offences Prevention Tribunal Barish...
19/07/2023

With Hon'ble Sir Md. Monjurul Hossain (District & Session Judge Of Human Trafficking Offences Prevention Tribunal Barishal)in Case Monitoring Conference, FSTIP organised by USAID (Winrock International)on July 18, 2023.

WhatsApp Available.
14/07/2023

WhatsApp Available.

★ মিথ্যা মামলা এবং মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করার ক্ষেত্রে যে সকল আইনে শাস্তির বিধান আছে!🔸ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারায় মিথ্যা ...
14/07/2023

★ মিথ্যা মামলা এবং মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করার ক্ষেত্রে যে সকল আইনে শাস্তির বিধান আছে!

🔸ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারায় মিথ্যা অভিযোগের শাস্তির বিধান রয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামিকে খালাস দেওয়ার সময় প্রমাণ পান যে মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বাদীকে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন।

🔸দণ্ডবিধির ২০৯ ধারামতে, মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

🔸দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় মিথ্যা ফৌজদারি মামলা দায়ের করার শাস্তির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো অভিযোগ দায়ের করলে অথবা কোনো অপরাধ সংঘটিত করেছে মর্মে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে মামলা দায়েরকারীকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করারও বিধান রয়েছে।

🔸 নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ১৭ ধারায়ও মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। এখানে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কারও ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এই আইনের অন্য কোনো ধারায় মামলা করার জন্য আইনানুগ কারণ নেই জেনেও মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন অথবা করান, তবে সেই অভিযোগকারী অনধিক সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।

🔸 দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৮ গ (১) এ বলা হয়েছে মিথ্যা জেনে বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য প্রদান করে এবং যে তথ্যের বিত্তিতে কোন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালনার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন বলে গণ্য হবে। উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বছর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

🔸 শিশু আইন, ২০১৩ এর ৮৩ ধারা মতে কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন মামলার কার্যক্রমে কোন আদালতে কোন শিশুর সম্পর্কে যদি এমন কোন তথ্য প্রকাশ করেন যা মিথ্যা, বিরক্তিকর বা তুচ্ছ প্রকৃতির তাহলে আদালত প্রয়োজনীয় তদন্ত এবং শো-কজ সাপেক্ষে কারণ লিপিবদ্ধ করে যার বিপক্ষে উক্ত তথ্য প্রদান করা হয়েছে তাকে ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকার ঊর্ধ্বে যেকোন পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীর প্রতি নির্দেশ প্রদান করতে এবং অনাদায়ে অনধিক ৬ (ছয়) মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবে।

🔸 পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ সালের ১৩ (১) ধারা: সর্বোচ্চ ২(দুই) বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড।

🔸 পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০, ধারা ৩২: অনধিক ১ (এক) বছর কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ড।

🔸যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮, ধারা ৬: অনধিক ৫ (পাঁচ) বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড।

🔸এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২, ধারা ৮: সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

🔸 আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২,ধারা ৬: অন্যুন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

ধন্যবাদ, সকলে ভালো এবং সুস্থ থাকবেন।

★ #অ্যাডভোকেট_সৈয়দ_সাব্বির_সিদ্দিকী
@ জজ কোর্ট, বরিশাল।

★ মানুষের আসল সৌন্দর্য্য পরিলক্ষিত হয় তাহার ব্যবহার, আচরণ এবং কথায়। প্রকৃত সৌন্দর্য্য বাহ্যিক দিক দিয়ে বিবেচনা করা যায় ন...
13/07/2023

★ মানুষের আসল সৌন্দর্য্য পরিলক্ষিত হয় তাহার ব্যবহার, আচরণ এবং কথায়। প্রকৃত সৌন্দর্য্য বাহ্যিক দিক দিয়ে বিবেচনা করা যায় না, বরং ব্যক্তির আচরণ, ব্যবহার ও কথা গুলোই হলো সত্যিকারের সৌন্দর্য্য পরিমাপের সঠিক মাপকাঠি।

★ অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাব্বির সিদ্দিকী,
জজ কোর্ট, বরিশাল।

13/07/2023

আমরা আগে বলতাম ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে উচ্চ তাপমাত্রা থাকে, শরীর ব্যথা, গিরায় গিরায় ব্যথা, মাথা ব্যথা বা চোখে ব্যথা থাকে। চার-পাঁচ দিনের মধ্যে জ্বর আপনাআপনি কমে যায়। এ সময় প্ল্যাটিলেট কমে এবং রক্তক্ষরণের ঝুঁকি থাকে। ব্রাশ করতে গিয়ে দাঁতের গোড়া থেকে বা নাক থেকে রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা থাকে।
তবে এবারের চিত্রটা অনেকটাই ভিন্ন। দেখা যাচ্ছে, জ্বরের তাপমাত্রা খুব বাড়ছে না, শরীরের ব্যথাও তেমন হচ্ছে না। সাধারণ জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা। অথচ এক দুইদিন পর শরীরের অবস্থার অবনতি ঘটছে। রোগীর পাল্স পাওয়া যায় না, ব্লাড প্রেসার কমে যায়, প্রস্রাব হয় না, কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি রোগী অজ্ঞানও হয়ে যাচ্ছে! এটাকে বলে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। এটা সবচেয়ে ভয়াবহ!
এবার ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ হলো ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। এর আরেকটি কারণ হলো, এসব রোগীর মধ্যে বেশিরভাগই এর আগেও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। হয়তো তারা আগে সামান্য জ্বর, কাশি ভেবে বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি। ফলে যাদের দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থবার আক্রান্ত হচ্ছে তারা এই ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে, মশার ধরন ও চরিত্রও কিন্তু পাল্টে যাচ্ছে।
এক সময় বলতাম, এডিস মশা শুধুমাত্র পরিষ্কার ও স্বচ্ছ পানিতে হয়, এখন দেখা যাচ্ছে নোংরা পানিতেও মশা ডিম পাড়তে পারে। আগে জানতাম, এডিস মশা শুধু দিনে কামড়ায়। তাই রোগীদের বলতাম, দিনের বেলা মশারি টানিয়ে ঘুমাতে। কিন্তু এখন দেখি, এ মশা দিনে-রাতে দুই সময়েই কামড়াতে পারে। আগে সাধারণত জানতাম বর্ষার বা বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ডেঙ্গুর সম্পর্ক আছে। এখন দেখি সারাবছরই ডেঙ্গু হতে পারে। যেমন এবার জানুয়ারি থেকে সারা বছরই ডেঙ্গুর প্রকোপ লক্ষ্য করা গেছে। এমনকি শীতকালেও এর প্রভাব দেখা গেছে। যদিও বৃষ্টিপাতের সঙ্গে এর সম্পর্ক আছে।
তবে কোথাও জমা পানি থাকলেই কিন্তু এটি ডিম পাড়ে। সে কারণে বলাই যায় যে, ডেঙ্গু তার লক্ষণ বদলাচ্ছে এবং মশা তার চরিত্র বদলাচ্ছে। যেহেতু এই সময় ডেঙ্গু হচ্ছে এবং করোনাও হচ্ছে তাই একটাই উপদেশ; জ্বর-ঠান্ডা-মাথা ব্যথা দেখা দিলে দ্রুত ডেঙ্গুর টেস্টটা করিয়ে ফেলবেন। যত দ্রুত ধরা পরবে, তত দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে জটিলতাগুলো এড়ানো সম্ভব। এ নিয়ে অবহেলা করলে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে ভোগার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন অনেক সময়ই আমাদের কিছু করা থাকে না। তখন আইসিইউতে ভর্তি হতে হয়। তাছাড়া এর তো কোনো নির্দিষ্ট এন্টি ভাইরাস বা ওষুধ নাই।
ফলে এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে সতর্ক থাকতে হবে এবং কিছুতেই অবহেলা করা যাবে না। আর ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে বেশি করে তরল খাবার খেতে হবে। যেমন পানি, ডাব, শরবত বেশি বেশি খেতে হবে। সাথে জ্বর উঠলে বা ব্যথা থাকলে শুধু প্যারাসিটামল খেতে হবে। অন্য কোনো ব্যথানাশক খাবেন না, নিজেরা কোনো এন্টিবায়োটিক কিনে খাবেন না। ডাক্তার পরামর্শ দিলে তবেই অন্য ওষুধ খাবেন। যারা বৃদ্ধ বা যাদের অন্যান্য রোগ আছে, তাদের হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়া উচিত।

অধ্যাপক ডা. এ.বি.এম. আবদুল্লাহ,
ইমেরিটাস অধ্যাপক।

The workplace is not our private property. Don't think of colleagues at work as your adversaries. None of us are permane...
12/07/2023

The workplace is not our private property. Don't think of colleagues at work as your adversaries. None of us are permanent at work, only our good work is permanent. So, give up the ego and direct your thoughts in a positive way.

07/07/2023

আমরা তো ত্রিমাত্রিক জগতের প্রানী অর্থাৎ আমরা কেবল দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও উচ্চতা বরাবর গমন করতে পারি। আমাদের দৌড় শুধু মাত্র এই তিনটি মাত্রা ঘিরে। কিন্তু বর্তমানে পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে আলোচিত স্ট্রিং থিওরী (String theory) অনুযায়ী আমাদের মহাবিশ্বে মোট মাত্রা 10 টি। এতোগুলো মাত্রার কাজ কি ? আমরা তো ত্রিমাত্রিক প্রাণী। কি হতো যদি আমরা আরও উপরের মাত্রাগুলোতে প্রবেশ করতে পারতাম !!! চলুন, 10 টি মাত্রায় নিজেদের কল্পনা করি। প্রথমে আমি শূন্য মাত্রা থেকে শুরু করে এক এক করে সামনে আগাই।

শূণ্য মাত্রা (Zero Dimension):-

শূন্য মাত্রা হলো একটি বিন্দুর মতো যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ উচ্চতা কিছুই নেই, আছে শুধু অবস্থান। আপনি যদি শূণ্য মাত্রার প্রাণী হতেন, তাহলে আপনাকেও বিন্দুর মতো একই যায়গায় থাকতে হতো। এমনকি আপনার চোখে এই মহাবিশ্বটাও হয়ে যেত একমাত্রিক। কখনও কখনও দেখতেন, সেই একক মাত্রায় কোন বস্তু প্রবেশ করেছে, আবার পরমুহুর্তেই নাই হয়ে গেছে। আপনি এসব ঘটনার কোন ব্যাখ্যা খুজে পেতেন না। এসব আপনার কাছে ভৌতিক মনে হতো।

প্রথম মাত্রা (First Dimension):-

প্রথম মাত্রা হলো শুধু দৈর্ঘ্য। প্রথম মাত্রার প্রাণী হলে আপনি শুধু কোন একটি সরলরেখা বরাবর দেখতে ও চলতে পারবেন। আপনার জগত হয়ে যাবে ওই সরলরেখার মধ্যে। আপনি ডান বাম উপর নিচে যেতে পারতেন না। আর আপনার জগতের বিজ্ঞানীরা বলবে, আমাদের এই মহাবিশ্ব সরলরৈখিক। বিগব্যাং এর পর কোন এক কারনে মহাবিশ্বের সকল পদার্থ সরল রেখাকেই বেছে নিয়েছে। আপনি চলার পথে হুট হাট করে বিভিন্ন বস্তুকে আপনার জগতে আসতে এবং উধাও হয়ে যেতে দেখতেন।

দ্বিতীয় মাত্রা (Second Dimension):-

অসীম সংখ্যক একমাত্রিক সরলরেখা পাশাপাশি স্থাপিত হয়ে একটি দ্বিমাত্রিক সমতল তৈরী হয়। দ্ধিতীয় মাত্রা শুধু দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নিয়ে গঠিত সমতল ক্ষেত্র যার উপর নিচ কিছু নেই শুধু আছে সামনে, পেছনে আর ডান বাম। দ্বিমাত্রার প্রাণী হলে আপনার কাছে মহাবিশ্ব হবে শুধু একটি সমতল ক্ষেত্র।

তৃতীয় মাত্রা (Third Dimension):-

দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও উচ্চতা নিয়ে গঠিত হয় তৃতীয় মাত্রা। আমরা হলাম এই ত্রিমাত্রিক প্রাণী। আমরা ত্রিমাত্রিক প্রাণী বলেই আমরা কোয়ান্টাম মেকানিক্সকে বুঝতে পারিনা। কারন কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কাজকর্ম আরও উচ্চ মাত্রায় ঘটে থাকে।

চতুর্থ মাত্রা (Fourth Dimension):-

চতুর্থ মাত্রার জগত দৈর্ঘ্য প্রস্থ উচ্চতা ও সময় এই চারটি মাত্রা নিয়ে গঠিত। সময় হলো মহাবিশ্বের চতুর্থ মাত্রা, এই সময় মাত্রার কারণে মহাবিশ্ব চলমান। চতুর্মাত্রিক পদার্থ সময়কে অতিক্রম করতে পারে। অর্থাৎ আপনি যদি চতুর্মাত্রিক প্রাণী হোন, তাহলে আপনি চাইলেই অতীতে অথবা ভবিষ্যতে যেতে পারবেন। মানে সময় ভ্রমন সম্ভব হবে। এভাবে আপনি চাইলেই অতীতে গিয়ে কোন কিছু পরিবর্তন করে বর্তমানকে পরিবর্তন করতে পারবেন।

পঞ্চম মাত্রা (Fifth Dimension):-

পঞ্চম মাত্রায় গেলে আপনি সময়ের উপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন। ধরুন আপনার এখন মনে হলো যে, এখন আপনি সুইজারল্যান্ডের অপরুপ পর্বতমালায় অবস্থান করছেন তাহলে মূহুর্তের মধ্যেই দেখবেন আপনি সুইজারল্যান্ডের অপরুপ কোন পর্বত চূড়ায় বসে আছেন আর তার জন্যে অতীতকে যেভাবে পরিবর্তন করা দরকার হবে, অতীত নিজেই সেভাবে পরিবর্তিত হয়ে যাবে। পঞ্চম মাত্রার প্রানী হলে আপনি একই সময় একাধিক জায়গায়ও অবস্থান করতে পারবেন। ফোটন কণা পঞ্চম মাত্রিক কনা তাই একটি ফোটন কণা একই সময়ে একাধিক জায়গায় অবস্থান করতে পারে।

ষষ্ঠ মাত্রা (Sixth Dimension):-

ষষ্ঠ মাত্রায় আপনি একই সময়ে একাধিক জায়গায় অবস্থান করতে পারবেন শুধু তাই নয়, আপনি ভিন্ন ভিন্ন রুপে অবস্থান করবেন অর্থাৎ আপনি একই সময়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার চাকুরীজীবি, কবি হতে পারবেন। এছাড়া বিগব্যাং এর পর এই মহাবিশ্বের যে কোন সময়ে চলে যেতে পারবেন। আপনি হয়তো চিন্তা করতে পারেন, এই কাজ আপনি চতুর্থ মাত্রাতেই করতে পারবেন, ষষ্ঠ মাত্রাতে যাবার কি দরকার? আসলে চতুর্থ মাত্রার মাধ্যমে অতীতে যেতে পারবেন, কিন্তু নিজের জন্মের আগে যেতে পারবেন না। নিজের জন্মের আগে যেতে হলে আপনাকে ষষ্ঠ মাত্রাতে যেতে হবে।

সপ্তম মাত্রা (Seventh Dimension):-

সপ্তম মাত্রার প্রাণী হলে আপনি সামান্তরাল মহাবিশ্ব বা প্যারালাল ইউনিভার্সে যেতে পারবেন। সপ্তম মাত্রার প্রানী হলে এমন মহাবিশ্বে যেতে পারবেন যার সূচনা বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে হয় নি অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় হয়েছে।

অষ্টম মাত্রা (Eighth Dimension):-

অষ্টম মাত্রায় গেলে আপনি একই সাথে বিভিন্ন সামান্তরাল মহাবিশ্বের বিভিন্ন সময়ে অবস্থান করতে পারবেন।

নবম মাত্রা (Ninth Dimension):-

নবম মাত্রায় গেলে আপনি যেকোন মহাবিশ্বের যে কোন সময়ে চলে যেতে পারবেন। তবে অষ্টম মাত্রা এবং ষষ্ঠ মাত্রার মাধ্যমে ও এ কাজটি করা সম্ভব তবে অষ্টম ও ষষ্ঠ মাত্রায় এটি একটু সময় সাপেক্ষ। নবম মাত্রা দিয়ে আপনি মুহুর্তের ও কম সময়ে যে কোন মহাবিশ্বের যে কোন সময়ে যেতে পারবেন।

দশম মাত্রা (Tenth Dimension):-

দশম মাত্রার প্রাণির কাছে আমাদের মহাবিশ্ব সহ সকল মহাবিশ্বের সকল সময়ের এবং সম্ভাব্য সকল অবস্থা হলো একটি বিন্দুর মতো। আপনি দশম মাত্রা ব্যবহার করতে পারলে আপনার অন্য কোন মহাবিশ্বের যে কোন সময়ে যে কোন স্মভাব্য অবস্থায় যেতে আর কোন বেগ পেতে হবে না।

এই হলো স্ট্রিং থিওরী অনুযায়ী মহাবিশ্বের দশটি মাত্রা।

(সংগৃহীত)

A Visit of a Pen-Friend in our Court Premise.
06/07/2023

A Visit of a Pen-Friend in our Court Premise.

Address

Fazlul Haque Evenue, Barishal Sadar, Barishal
Barishal
8200

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801912222883

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Shabbir Shiddiky posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Shabbir Shiddiky:

Share