25/02/2026
আ ত্ন হ ত্যা য় (সু ই সা ই ড) প্ররোচনা কি অপরাধ? আ ত্ন হ ত্যা কি অপরাধ?
আ ত্ম হ ত্যা য় প্ররোচনা দানে ব্যক্তির বিরুদ্ধে মা ম লা:
প্ররোচনা দানকারীর জন্য আমাদের দেশের আইনে শাস্তির বিধান রয়েছে। দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৩০৬ ধারায় বলা হয়েছে,
‘‘যদি কোনো ব্যক্তি আ ত্ম হ ত্যা করে, তাহলে যে ব্যক্তি
আ ত্ম হ ত্যা য় সাহায্য করবে এবং প্ররোচনা দান করবে, সে ব্যক্তিকে ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।’’
তবে কারো প্ররোচনার জন্য আ ত্ম হ ত্যা র চেষ্টা করেও যদি কেউ মা রা না যায় তাহলে আ ত্ম হ ত্যা য় প্ররোচনা দানকারীকে সর্বোচ্চ ১ বছরের কা রা দ ন্ড দেওয়া হতে পারে। তবে অবশ্যই তা প্রমাণ সাপেক্ষে।
এছাড়াও সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৩২ ধারায় বলা হয়েছে,
‘‘আ ত্ম হ ত্যা কারীর মৃত্যুর আগে রেখে যাওয়া সু ই সা ই ড নোট প্ররোচনা দানকারীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।’’ (১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারামতে ‘কোন নিহত ব্যক্তি
মৃ ত্যু র পূর্বে যদি তার মৃ ত্যু র কারণ, অবস্থা এবং পরিস্থিতি বর্ণনা করে কোন বিবৃতি বা জবানবন্দি প্রদান করে থাকেন তবে তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়।’)
তবে শুধু একটি সু ই সা ই ড নোটের ভিত্তিতে কাউকে শা স্তি দেওয়া যাবে না। সু ই সা ই ড নোটের সমর্থনে আরও সাক্ষ্য–প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে।
নারী ও শিশু নি র্যা ত ন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০ এর ৯(ক) ধারায় বলা হয়েছে,
‘‘কোনো নারীর সম্মতি ছাড়া বা তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত কোনো কাজ দ্বারা সম্ভ্রমহানি হওয়ার প্রত্যক্ষ কারণে কোনো নারী আ ত্ম হ ত্যা করলে তা আ ত্ম হ ত্যা র প্ররোচনার অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। যার জন্য সে ব্যক্তির অনধিক ১০ বছর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বছর সশ্রম কা রা দ ণ্ড হবে।’’
আ ত্ম হ ত্যা করতে গিয়ে ব্যর্থ হলে সেই ব্যক্তিকে আ ত্ম হ ত্যা বা নিজেকে ধ্বংস করার অপচেষ্টার অ প রা ধে এক বছরের জ্লে যেতে হতে পারে। দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারামতে,
‘‘যদি কোনো ব্যক্তি আ ত্ম হ ত্যা করার উদ্যোগ নেন এবং অনুরূপ অপরাধ করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করেন, তা হলে তাঁর এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারে বা উভয় শাস্তিই হতে পারে।’’
তাই বলা যায় আ ত্ম হ ত্যা র চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।